সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাত্রের সালাতের উল্লেখ হাঃ-১৬২৯

ইয়া‘লা ইব্‌ন মামলাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী উম্মে সালামা (রাঃ)- কে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআন তিলাওয়াত এবং তাঁর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ তোমরা তাঁর সালাত সম্পর্কে জেনে কি করবে? (তোমরা তাঁর মত সালাত আদায় করতে পারবে না।) তিনি সালাত আদায় করতেন এবং যে পরিমাণ সময় সালাত আদায় করেছিলেন সে পরিমাণ সময় ঘুমিয়ে থাকতেন। আবার যে পরিমাণ সময় ঘুমিয়ে ছিলেন সে পরিমাণ সালাত আদায় করতেন। তারপর যে পরিমাণ সময় সালাত আদায় করেছিলেন সে পরিমাণ সময় ঘুমিয়ে থাকতেন সকাল অবধি। অতঃপর তিনি ইয়া‘লা (রহঃ) কাছে তাঁর কিরাআত সম্পর্কে বললেন। তিনি কিরাআতকে উত্তমরূপে থেমে থেমে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করতেন।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->বিতর সালাত বাব->তারতীলের সাথে কুরআন তিলাওয়াত পছন্দনীয় হাঃ-১৪৬৬

ইয়া‘লা ইবনু মামলাক (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা তিনি উম্মু সালামাহ (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাত ও ক্বিরাআত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তাঁর সলাত সম্পর্কে জেনে তোমাদের কি দরকার? তিনি সলাত আদায় করতেন এবং সলাত আদায়ের সমপরিমান সময় ঘুমাতেন, আবার যেটুকু সময় ঘুমাতেন সে পরিমাণ সময় সলাত আদায় করতেন। আবারো সলাত আদায়ের সমপরিমান সময় ঘুমাতেন। এভাবেই ভোর হয়ে যেতো। তিনি তাঁর ক্বিরাআতের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, তিনি ক্বিরাআতে এক একটি হরফ স্পষ্ট উচ্চারণ করতেন।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কুরআনের ফযিলত বাব->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ক্বিরাআত কিরূপ ছিল হাঃ-২৯২৩

ইয়ালা ইবনু মামলাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী উম্মু সালামা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (রাতের) কিরা'আত ও নামায কেমন ছিল? তিনি বললেনঃ তার নামাযের কথা শুনে তোমাদের কি ফায়দা? তিনি যতক্ষণ নামায আদায় করতেন ঠিক ততক্ষণ ঘুমাতেন, আবার উঠে যতক্ষণ ঘুমিয়েছেন ততক্ষণ নামায আদায় করতেন, আবার এ নামাযের সমপরিমাণ সময় ঘুমাতেন। এভাবে তাঁর সকাল হত। তারপর তিনি তাঁর কিরা'আতের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেনঃ তাঁর পাঠ ছিল অত্যন্ত সহজবোধ্য তিনি প্রতিটি অক্ষর পৃথক করে পরিষ্কারভাবে উচ্চারণ করতেন। যঈফ, যঈফ আবু দাউদ (২৬০), মিশকাত, তাহকীক ছানী (১২১০)