সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->এক রাক‘আতে দু’ সূরা মিলিয়ে পড়া, সূরার শেষাংশ পড়া, এক সূরার পূর্বে আরেক সূরা পড়া এবং সূরার প্রথমাংশ পড়া । হাঃ-৭৭৫

আবূ ওয়াইল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ)-এর নিকট এসে বলল, গতরাতে আমি মুফাস্সাল সূরাগুলো এক রাক‘আতেই তেলাওয়াত করেছি। তিনি বললেন, তাহলে নিশ্চয়ই কবিতার ন্যায় দ্রুত পড়েছ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরস্পর সমতুল্য যে সব সূরা মিলিয়ে পড়তেন, সেগুলো সম্পর্কে আমি জানি। এ বলে তিনি মুফাস্‌সাল সূরাসমূহের বিশটি সূরা উল্লেখ পূর্বক বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি রাক‘আতে এর দু’টি করে সূরা পড়তেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->কোরআনের মর্যাদাসমূহ ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় বাব->ধীরস্থিরতার সাথে ক্বিরাআত পড়া, অতি দ্রুত পাঠ বর্জন করা এবং এক রাক'আতে দু' বা ততোধিক সূরা সংযোজনের বৈধতা হাঃ-১৭৯৮

‘আম্‌র ইবনু মুর্‌রাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ ওয়ায়িল (রহঃ)-কে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, জনৈক ব্যক্তি ইবনু মাস ‘উদ (রাঃ)-এর নিকট এসে বলল, আমি আজ রাতে সমস্ত মুফাস্সাল সূরাহ্ সলাতের এক রাক’আতেই পড়েছি। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, কবিতা আবৃত্তির ন্যায় দ্রুত গতিতে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) আরো বলেন, আমি অবশ্যই সেসব দৃষ্টান্ত অবহিত আছি, যেসব সূরাহ্ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একত্রে মিলিয়ে পড়তেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি মুফাস্সাল সূরাহ্‌গুলো থেকে বিশটি সূরার উল্লেখ করলেন, যার দু ‘টি করে সূরাহ্ প্রতি রাক ‘আতে পড়া হ’ত। (ই.ফা, ১৭৮৩.ই.সে. ১৭৯০)


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->এক রাক’আতে দুই সূরা পাঠ করা হাঃ-১০০৫

আমর ইব্‌ন মুররা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবু ওয়ায়িলকে বলতে শুনেছি, আবদুল্লাহর নিকট এক ব্যক্তি বলল, আমি এক রাক’আতে মুফাস্‌সাল পড়েছি। তিনি বললেন, কবিতার ন্যায় তাড়াতাড়ি পড়া? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরস্পর সামঞ্জস্যপূর্ণ যে সুরাগুলো মিলিয়ে পাঠ করতেন তা আমি জানি। তারপর তিনি মুফাস্‌সালের বিশটি সূরার উল্লেখ করলেন এক রাক’আতে দু’ দু’ সূরা করে।