সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->রুকু‘ থেকে মাথা তুলে যা বলতে হবে হাঃ-৯৫৪

ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু‘ থেকে পিঠ উঠানোর সময় বলতেনঃ “সামি’আল্লা-হু লিমান হামিদাহ, আল্লা-হুম্মা রব্বানা-লাকাল হামদু মিলআস সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল আল আরযি ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন্ বা‘দু।” অর্থাৎ, “প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ শুনেন। হে আল্লাহ! আমাদের প্রতিপালক সকল প্রশংসা আপনারই জন্য-যা আসমান ও জমিন পরিপূর্ণ এবং পরিপূর্ণতা ছাড়াও যতটুকু আপনি ইচ্ছা পোষণ করেন।” (ই.ফা. ৯৪৯, ই.সে. ৯৬০)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->রুকু‘ থেকে মাথা তুলে যা বলতে হবে হাঃ-৯৫৫

‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (রুকু‘ থেকে উঠে) এ দু’আ পড়তেন : “সামি’আল্লা-হু লিমান হামিদাহ, আল্লা-হুম্মা রব্বানা-লাকাল্ হামদু মিল্আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্ আল আরযি ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন্ বা‘দু।” অর্থাৎ, “প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ্‌ শুনেন। হে আল্লাহ! আমাদের প্রতিপালক সকল প্রশংসা আপনারই জন্য-যা আসমান ও জমিন পরিপূর্ণ এবং পরিপূর্ণতা ছাড়াও যতটুকু আপনি ইচ্ছা পোষণ করেন।” (ই.ফা. ৯৫০, ই.সে. ৯৬১)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->রুকু‘ থেকে মাথা তুলে যা বলতে হবে হাঃ-৯৫৬

‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন : “আল্লা-হুম্মা লাকাল্ হামদু মিল্আস সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্ আল আরযি ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন বা‘দু , আল্লা-হুম্মা তাহহিরনী বিসসালজি ওয়াল্ বারাদ ওয়াল্ মা-য়িল বা-রিদি আল্লা-হুম্মা তাহহিরনী মিনায্ যুনূবি ওয়াল্ খাতা-য়া-কামা- ইউনাক্কাস্ সাওবুল্ আবইয়াযু মিনাল্ ওয়াসাখ।” অর্থাৎ, “হে আল্লাহ! তোমার জন্য ঐ পরিমাণ প্রশংসা-যা আসমান ও জমিনকে পরিপূর্ণ করে দেয়। অতঃপর তুমি যা চাও তা দিয়ে পরিপূর্ণ করো। হে আল্লাহ! আমাকে বরফ, কুয়াশা, ঠাণ্ডা পানি দিয়ে পবিত্র করে দাও। হে আল্লাহ! সাদা কাপড় যেভাবে ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়ে ধবধবে সাদা হয়ে যায়, আমাকেও তদ্রুপ যাবতীয় গুনাহ থেকে পবিত্র করে দাও।” (ই.ফা. ৯৫১, ই.সে. ৯৬২)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->রুকু‘ থেকে মাথা তুলে যা বলতে হবে হাঃ-৯৫৮

আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন তখন বলতেনঃ “রব্বানা- লাকাল্ হামদু মিল্আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন্ বা’দু আহলাস্ সানা-য়ি ওয়াল্ মাজদি আহাক্কু মা- কা-লাল ‘আবদু ওয়া কুল্লুনা- লাকা ‘আবদুন, আল্ল-হুম্মা লা-মা-নি’আ লিমা-আ’তাইতা ওয়ালা-মু’তিয়া লিমা- মানা’তা ওয়ালা ইয়ানফা‘উ যাল্ জাদ্দি মিনকাল্ জাদ্দ।“ অর্থাৎ “আমাদের প্রতিপালক! তুমি আসমান-জমিন সম পরিপুর্ন প্রশংসার অধিকারী, অতঃপর তুমি যা চাও তাও পুর্ন করে প্রশংসা। তুমি প্রশংসা ও সম্মানের অধিকারী। তোমার প্রশংসায় বান্দা যা কিছু বলে তুমি তার চাইতে বেশি হকদার। আমরা সবাই তোমার বান্দা; হে আল্লাহ! তুমি যা দান করো তা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কারো নেই এবং তুমি যা দেয়া বন্ধ করো, তা দান করার শক্তি কারো নেই। ধনবানদের ধন তোমার সামনে কোন কাজে আসে না। (ই.ফা. ৯৫৩, ই.সে. ৯৬৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->রুকু‘ থেকে মাথা তুলে যা বলতে হবে হাঃ-৯৫৯

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রুকু‘ থেকে মাথা উঠাতেন তখন বলতেনঃ “আল্লা-হুম্মা রব্বানা- লাকাল্ হামদু মিল্আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্ আল আরযি ওয়ামা- বায়নাহুমা- ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন্ বা‘দু আহলাস্ সানা-য়ি ওয়াল্ মাজদি লা-মা-নি’আ লিমা-আ’তাইতা ওয়ালা-মু’তিয়া লিমা- মানা’তা ওয়ালা- ইয়ানফা‘উ যাল্ জাদ্দি মিনকাল্ জাদ্দ।” অর্থাৎ “আমাদের প্রতিপালক। তুমি আসমান-যমিন সম পরিপুর্ন প্রশংসার অধিকারী, অতঃপর তুমি যা চাও তাও পুর্ন করে প্রশংসার অধিকার। তুমি প্রশংসা ও সম্মানের অধিকারী। (হে আল্লাহ!) তুমি যাকে দান করো তা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কারো নেই এবং তুমি যাকে দেয়া বন্ধ করো, তাকে দান করার শক্তি কারো নেই। চেষ্টা সাধনাকারীর প্রচেষ্টা তোমার সামনে কোন কাজে আসে না”। (ই.ফা. ৯৫৪, ই.সে. ৯৬৫)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->রুকূ‘ থেকে মাথা তোলার সময় যা বলবে। হাঃ-৮৭৮

বিন আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রুকূ থেকে মাথা তুলতেন তখন বলতেন (অনুবাদ) - “ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র প্রশংসা করে আল্লাহ তা শুনেন। আমাদের প্রতিপালক! তোমার জন্য সমস্ত প্রশংসা, আকাশমণ্ডলী, যমীন ও এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে এবং তুমি যা চাও সব কিছুই তোমার প্রশংসায় পূর্ণ”। [৮৭৬]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->রুকূ‘ থেকে মাথা তোলার সময় যা বলবে। হাঃ-৮৭৯

আবূ জুহাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতরত থাকা অবস্থায় তাঁর নিকটেই ধন-সম্পদ সম্পর্কে আলোচনা হচ্ছিল। এক ব্যক্তি বলেন, অমুকের অনেক ঘোড়া আছে। আরেকজন বলেন, অমুকের অনেক উট আছে। আর একজন বলেন, অমুকের অনেক বক্‌রী আছে। অন্যজন বলেন অনেক দাস-দাসী আছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শেষ রাক্‌আতের রুকূ’ থেকে মাথা উঠিয়ে বলেনঃ “হে আল্লাহ্‌! আমাদের প্রভূ! তোমার জন্য সকল প্রশংসা, আসমান, যমীন ও এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে এবং তুমি যা চাও সব কিছুই তোমার প্রশংসায় পূর্ণ। হে আল্লাহ্‌! তুমি কাউকে দান করলে তাঁর কোন প্রতিরোধকারী নাই এবং তুমি কাউকে দান না করলে কেউ তাকে দান করতে পারে না। সম্পদশালীকে তাঁর সম্পদ তোমার বিপরীতে উপকৃত করতে পারে না।” রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘সম্পদ’ শব্দটি উচ্চৈঃস্বরে বললেন, যাতে লোকেরা বুঝতে পারে যে, তারা যা বলছে তা তেমন নয়। [৮৭৭] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ, কিন্তু উল্লেখিত দুআটি সহীহ, সিফাতুস সালাত ৩১৩৭।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সালাত (নামায) বাব->রুকূ হতে মাথা উঠানোর সময় যা বলতে হবে হাঃ-২৬৬

‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ হতে মাথা উঠানোর সময় বলতেনঃ “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ্ রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ মিলআস সামাওয়াতি ওয়া মিলআল আরযি ওয়া মিলআ মা বাইনাহুমা ওয়া মিলআ মাশি’তা মিন শাই-ইম বাদু”। সহীহ্। সহীহ্ আবূ দাঊদ-(৭৩৮), মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->এ দাঁড়ানো অবস্থায় যা বলতেন হাঃ-১০৬৭

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূর পর যখন সিজদা করতে ইচ্ছা করতেন তখন বলেতেন (আরবী)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->এ দাঁড়ানো অবস্থায় যা বলতেন হাঃ-১০৬৮

আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ‘সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলতেন, তখন বলেতেন- (আরবী)।