আহমাদ ইবনু ‘ঈসা (রহঃ), যুহায়র ইবনু হার্ব, হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া প্রত্যেকেই থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাব থেকে ‘উকায়ল-এর সানাদে যুহরী থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৪, ই.সে. ৬৯৯)
ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম এবং ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
অবিকল বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন ‘আবদুর রায্যাক। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মা’মার যুহরী হতে উক্তরূপ। (ই. ফা. ৭৬১, ই. সে. নেই)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) –এর উল্লেখিত সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৮৮২, ই.সে. ৮৯৫)
যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। সালিহ এর বর্ণনায় আরো অতিরিক্ত আছেঃ “এরপর ওফাত পর্যন্ত তিনি সহাবাদের নিয়ে আর সলাত আদায়ের সুযোগ পাননি।” (ই.ফা. ৯১৬, ই.সে. ৯২৮)
আবুত্ ত্বহির, হারমালাহ্, ইসহাক্ব ইবনু ইব্রাহীম ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... সবাই যুহরী থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তারা উভয়ে (ইবনু ইউসুফ ও মা‘মার) “এক বছর অথবা দু’বছর পূর্বে” কথাটি উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ১৫৮৩, ই.সে. ১৫৯০)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২০৫২, ই.সে. ২০৫৭)
যুহরী (রাঃ) থেকে সালিহ (রহঃ) -এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৩০২, ই.সে. ২৩০৩)
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমুল্লাহ) থেকে বর্নিতঃ
সকলেই যুহরী (রহঃ) সুত্রে তাদের সানাদে হাদীসের মর্মানুযায়ী বর্ণনা করেন। তবে ইউনুস বর্ণিত হাদীসে অতিরিক্ত আছে, তিনি ছিলেন একজন ক্বায়িফ। (ই.ফা.৩৪৮৫, ই.সে. ৩৪৮৪)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহরী (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে এ হাদীস অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৭৬২, ই.সে. ৩৭৬২)
যুহরী (রহঃ) সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
যুহরী (রহঃ) সূত্রে এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৩৯৮৬, ই. সে. ৩৯৮৫)
উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। তবে ইউনুস ও মা’মার (রহঃ)- এর বর্ণনায় ((আরবী)) এবং লায়স ও ইবনু ‘উয়াইনাহ্ (রহঃ)- এর বর্ণনায় ((আরবী)) এবং মুহাম্মাদ ইবনু নু‘মান ও হুমায়দ ইবনু ‘আবদুর রহমান থেকে লায়স এর বর্ণনায় “বাশীর নু‘মানকে সাথে নিয়ে আসে” বলা হয়েছে। (ই.ফা. ৪০৩৪, ই.সে. ৪০৩৩)
আবূ তাহির ও হারমালাহ্, 'আবদুল মালিক ইবনু শু’আয়ব, ইবনু লায়স, ইবনু আবূ 'উমার 'আব্দ ইবনু 'উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সকলেই যুহরী (রহঃ) সূত্রে উক্ত সানাদে 'আম্র ইবনু হারিস এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪০৬২, ই. সে. ৪০৬১)
কুতাইবাহ্ ইবনু সা’ঈদ, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ তাহির, হারমালাহ্, ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম ও 'আব্দ হুমায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সকলেই যুহরীর সূত্রে উক্ত সানাদের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪০৬৪, ই. সে. ৪০৬৩)
‘আব্দ ইবনু হুমায়দ ও ‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ, ‘আমর আন্ নাকিদ, ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম, হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া, ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ ও ‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) সবাই যুহরী (রহঃ)- এর সূত্রে লায়স (রহঃ)- এর বর্ণিত সানাদের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪০৯০, ই.সে. ৪০৮৯)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ’মাশ (রহঃ) হতে উল্লেখিত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২২৯, ই.সে. ৪২২৯)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪২৫২, ই. সে. ৪২৫২)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহরী (রহঃ) হতে একই সুত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪২৮৭, ই. সে. ৪২৮৮)
যুহায়র ইবনু হারব ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহায়র ইবনু হারব ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ)…… থেকে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৬৯৫, ই.সে. ৪৬৯৬)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইবনু নুমায়র, যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু নুমায়র (রহঃ) ভিন্ন সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ তাহির, হারমালাহ্, ইসহাক্ ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ)... যুহরী (রহঃ) হতে এ সানাদে বর্ণনা করেছেন। তবে ইউনুস-এর বর্ণনায় রয়েছে, গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। (ই.ফা. ৪৮৫১, ই.সে. ৪৮৫২)
যুহায়র ইবনু হারব, হাসান হুলওয়ানী ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ, যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯৩৮, ই.সে. ৪৯৪৩)
উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৩২৭, ই.সে. ৫৩৪৪)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত সূত্রে ইউনুস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে সানাদের মাঝে মা‘মার (রহঃ) --- এর স্থানে --- লিখেছেন। (ই.ফা. ৫৩৩৮, ই.সে. ৫৩৫৫)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি, ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম, আবদ ইবনু হুমায়দ ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে ইউনুস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। কিন্তবর্ণনাকারী মালিক (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে ‘শুভাশুভ’ এর কথা উল্লেখ করেছেন। তাতে জ্যোতিষী এরব্যাপারটি উল্লেখ নেই। (ই. ফা. ৫৬২০, ই. সে. ৫৬৪৯)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হুবহু রিওয়ায়াত করেন। (ই.ফা. ৫৮০৪, ই.সে. ৫৮৩৯)
যুহরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহরী (রাঃ) থেকে সকলেই মালিক-এর সানাদে ও তাঁর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তাঁর বক্তব্য (আরবী) (সেও মুখ ফিরিয়ে নিল এবং তিনিও মুখ ফিরিয়ে নিলেন) এর পরিবর্তে মালিক ব্যতীত তাঁদের সকলেই বর্ণনা করেন (আরবী) (তিনিও বিরত থাকলেন, সেও বিরত থাকল) (ই.ফা. ৬৩০১, ই.সে. ৬৩৫১)
আ‘মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ‘মাশ (রাঃ) হতে এ সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪০৪, ই.সে. ৬৪৫৫)
সুলাইমান আত্ তাইমী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে তার অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৯৬, ই.সে. ৬৭৫০)