আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আযানে ও প্রথম কাতারে কী (ফযীলত) রয়েছে, তা যদি লোকেরা জানত, কুরআহর মাধ্যমে বাছাই ব্যতীত এ সুযোগ লাভ করা যদি সম্ভব না হত, তাহলে অবশ্যই তারা কুরআহর মাধ্যমে ফায়সালা করত। যুহরের সালাত আউয়াল ওয়াক্তে আদায় করার মধ্যে কী (ফযীলত) রয়েছে, যদি তারা জানত, তাহলে তারা এর জন্য প্রতিযোগিতা করত। আর ‘ইশা ও ফজরের সালাত (জামা’আতে) আদায়ের কী ফযীলত তা যদি তারা জানত, তাহলে নিঃসন্দেহে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা হাজির হত।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আযান ও প্রথম কাতারের মর্যাদা মানুষ যদি জানত আর কুর‘আ নিক্ষেপ ব্যতীত সে সুযোগ তারা না পেত, তাহলে কুর‘আ নিক্ষেপ করত, তেমনি আগে ভাগে জামা‘আতে শরীক হবার মর্যাদা যদি তারা জানত তাহলে তারা সেদিকে ছুটে যেত। তেমনি ঈশা ও ফাজরের জামা‘আতে হাযির হবার মর্যাদা যদি তারা জানত তাহলে হামাগুরি দিয়ে হলেও তারা তাতে হাযির হত।
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোকেরা যদি জানতে পারত আযান দেওয়া ও প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর মধ্যে কত সাওয়াব রয়েছে, তাহলে তাদের এতো ভীড় হত যে, শেষ পর্যন্ত লটারি করে ঠিক করতে হত (কে আযান দেবে এবং কে প্রথম কাতারে দাঁড়াবে)। সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(৯৯৮), বুখারী ও মুসলিম।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোকেরা যদি আযান দেয়া ও সালাতে প্রথম কাতারে দাঁড়াবার ফযীলত জানত, আর এ ফযীলত অর্জন করার জন্য লটারী ব্যতীত অন্য কোন (বিকল্প) ব্যবস্থা না পেত তাহলে অবশ্যই তারা লটারীর সাহায্য নিত। আর যদি তারা জানত যে, প্রথম ওয়াক্তে সালাত আদায় করার কত বেশি ফযীলত তাহলে তারা ওয়াক্তের প্রথমভাগেই সালাতে আসার ব্যাপারে একে অপরের অগ্রগামী হতো। আর তারা যদি জানত যে, ‘আতামা ও ফজরের সালাতে কত বেশি ফযীলত, তাহলে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও সালাতে উপস্থিত হতো।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আহলে ইলমকে যেই দিনে সন্দেহ হয় সেই দিনে রোযা রাখতে নিষেধ করতে শুনেছেন, যদি উহাতে রমযানের রোযার নিয়ত করা হয়। আর তাঁরা মনে করেন, যে ব্যক্তি এরূপ (সন্দেহের) দিনে রোযা রেখেছে চাঁদ না দেখে, অতঃপর সেই দিন রমযান বলে প্রমাণিত হয়েছে, তার উপর সেই রোযার কাযা ওয়াজিব হবে। তবে (সন্দেহের দিনে) নফল রোযা রাখতে তাঁরা কোন দোষ মনে করেন না। মালিক (র) বলেন, মাসআলা আমাদের নিকট এইরূপই এবং আমি এর উপর আমাদের শহরের আহলে ইলমকে একমতাবলম্বী পেয়েছি। (ইমাম মালিক (রঃ)-এর উক্তি)