সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->‘আমীন’ বলার ফযীলত । হাঃ-৭৮১

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ (সালাতে) ‘আমীন’ বলে, আর আসমানে মালাইকাহ্ ‘আমীন’ বলেন এবং উভয়ের ‘আমীন’ একই সময় হলে, তার পূর্ববর্তী সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়। [১]


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->তাসমী’ , তাহমীদ ও আমীন সর্ম্পকে হাঃ-৮০৪

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন ‘আ-মীন’ বলে এবং আকাশমণ্ডলীর মালায়িকারাও (ফেরেশতারাও)‘আ-মীন’ বলে। উভয়ের ‘আ-মীন’ যদি একই সাথে মিলে যায়, তবে আল্লাহ তার আগের গুনাহ মাফ করে দেবেন।(ই.ফা. ৮০১, ই.সে. ৮১৩ )


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->সশব্দে আমীন বলা। হাঃ-৮৫২

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন কুরান পাঠকারী (ইমাম) আমীন বলে, তখন তোমরাও আমীন বলো। যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার সাথে হয়, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করা হয়। [৮৫০]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সালাত (নামায) বাব->আমীন বলার ফাযীলাত হাঃ-২৫০

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: ইমাম যখন ‘আমীন’ বলবে তোমরাও তখন আমীন বলবে। কেননা যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার সাথে সাথে হবে তার পূর্বেকার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(৮৫১), বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->ইমামের উচ্চস্বরে আমীন বলা হাঃ-৯২৮

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন ইমাম আমীন বলে তখন তোমরাও আমীন বল। যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার মত হয় তার পূর্ববর্তী পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->আমীন বলার ফযীলত হাঃ-৯৩০

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ আমীন বলে, আর ফেরেশতারাও আকাশে আমীন বলেন, তখন যদি একটির সাথে অপরটির মিল হয় তবে তার পূর্বের পাপ ক্ষমা করা হয়।