সহিহ বুখারী অঃ->আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) বাব->৬০/১০. অধ্যায়ঃ হাঃ-৩৩৬৯

আবূ হুমাইদ সা’ঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা কিভাবে আপনার উপর দরূদ পাঠ করব? তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এভাবে পড়বে, হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর, তাঁর স্ত্রীগণের উপর এবং তাঁর বংশধরদের উপর রহমত নাযিল করুন, যেরূপ আপনি রহমত নাযিল করেছেন ইবরাহীম (‘আঃ)-এর বংশধরদের উপর। আর আপনি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর, তাঁর স্ত্রীগণের উপর এবং তাঁর বংশধরদের উপর এমনিভাবে বরকত নাযিল করুন যেমনি আপনি বরকত নাযিল করেছেন ইবরাহীম (‘আঃ)-এর বংশধরদের উপর। নিশ্চয় আপনি অতি প্রশংসিত এবং অত্যন্ত মর্যাদার অধিকারী।


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->নবী এর উপর সালাত পাঠ করা । হাঃ-৬৩৫৮

আবূ সা'ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার আমরা বললাম : হে আল্লাহ্‌র রসূল! এই যে 'আসসালামু 'আলাইকা' তা তো আমরা জেনে নিয়েছি। তবে আপনার উপর সালাত কীভাবে পাঠ করবো? তিনি বললেন, তোমরা পড়বে : হে আল্লাহ্‌! আপনি আপনার বান্দা ও আপনার রসূল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর রাহমাত বর্ষণ করুন। যেমন করে আপনি ইবরাহীম (আঃ) এর উপর রাহমাত অবতীর্ণ করেছেন। আর আপনি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তাঁর পরিবারবর্গের উপর বারাকাত নাযিল করুন, যে রকম আপনি ইবরাহীম (আঃ) -এর উপর এবং ইব্রাহীম (আঃ) -এর পরিবারবর্গের উপর বারাকাত অবতীর্ণ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮০৫)


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->নবী ব্যতীত অন্য কারো উপর দরূদ পড়া যায় কিনা? হাঃ-৬৩৬০

আবূ হুমায়দ সা'ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার লোকেরা বলল : হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা আপনার উপর কীভাবে সালাত পাঠ করবো? তিনি বললেনঃ তোমরা পড়বে, হে আল্লাহ্‌! আপনি মুহাম্মাদের ও তাঁর স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততি উপর রাহমাত অবতীর্ণ করুন। যেমন করে আপনি ইবরাহীম (‘আঃ) -এর পরিবারবর্গের উপর রাহমাত অবতীর্ণ করেছেন। আর আপনি মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁর সন্তানদের উপর বারাকাত অবতীর্ণ করুন, যেমনিভাবে আপনি ইবরাহীম (‘আঃ) -এর পরিবারবর্গের উপর বারাকাত অবতীর্ণ করেছেন। আপনি অতি প্রশংসিত, উচ্চ মর্যাদাশীল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮০৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->তাশাহহুদ পড়ার পর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর দুরূদ পাঠ করা হাঃ-৭৯৩

আবূ মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে আসলেন, আমরা তখন সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ্ (রাঃ) এর বৈঠক এ উপস্থিত ছিলাম। বাশীর ইবনু সা’দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল ! মহান আল্লাহ আপনার উপর দুরূদ পাঠ করার জন্যে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা কিভাবে আপনার উপর দুরূদ পাঠ করব? রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ করে থাকলেন। এমনকি আমরা আফসোস করে বললাম, সে যদি তাঁকে এ প্রশ্ন না করত ! অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বল- “আল্ল-হুম্মা সল্লি ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া আলা-আ-লি মুহাম্মাদিন কামা-সল্লাইতা আলা-আ-লি ইবর-হীমা ওয়াবা-রিক ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা-আ-লি মুহাম্মাদিন কামা বা-রকতা ‘আলা আ-লি ইবর-হীমা ফিল ‘আলামীন। ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।” অর্থাৎ “ হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ ও তার পরিবার-পরিজনের উপর রহমত বর্ষণ করো-যেভাবে তুমি ইবরাহীম (আঃ) এর পরিবার-পরিজনের উপর রহমাত বর্ষণ করেছ। তুমি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার-পরিজনকে বারাকাত ও প্রাচুর্য দান করো-যেভাবে তুমি ইবরাহীম (‘আঃ)- এর পরিবার-পরিজনকে দুনিয়া ও আখিরাতে বারাকাত ও প্রাচুর্য দান করেছ। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত।“ আর সালাম দেয়ার নিয়ম যা তোমরা ইতিপূর্বে জেনেছ। (ই.ফা.৭৯০, ই.সে. ৮০২)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->তাশাহহুদ পড়ার পর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর দুরূদ পাঠ করা হাঃ-৭৯৭

ইবনু নুমায়র ও ‘আমর ইবনু সুলায়ম বলেন, আবূ হুমায়দ আস সা‘ইদী থেকে বর্নিতঃ

তারা (সহাবাগণ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল ! আমরা আপনার উপর কিভাবে দরূদ পড়বো? তিনি বললেনঃ বল, “আল্ল-হুম্মা সল্লি ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা- আয্ওয়াজিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা-সল্লাইতা ‘আলা-আ-লি ইবরাহীমা ওয়াবা-রিক ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা- আয্ওয়াজিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা-বা-রাকতা ‘আলা-আ-লি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।” অর্থাৎ হে আল্লাহ ! মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বিবিগন এবং তাঁর বংশধরগনের প্রতি রহমাত বর্ষন কর, যেভাবে তুমি রহমাত বর্ষন করেছ ইবরাহীম (‘আঃ)-এর পরিজনের প্রতি- তুমি বারাকাত নাযিল কর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বিবিগনের প্রতি যেভাবে তুমি বারাকাত নাযিল করেছ ইবরাহীম (‘আ)-এর পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সন্মানিত।(ই.ফা. ৭৯৪, ই.সে.৮০৬)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->তাশাহ্হুদ পড়ার পর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর দরুদ পাঠ হাঃ-৯৭৬

কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা বললাম অথবা লোকজন বললো, হে আল্লাহর রসূল ! আপনি আমাদেরকে আপনার উপর দরুদ ও সালাম পড়ার আদেশ করেছেন। সালাম পাঠের নিয়ম আমরা জানতে পেরেছি। কিন্তু আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করবো? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বলো- “আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলি মুহাম্মাদিন কামা সল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ”- (অর্থঃ হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মাদ, তাঁর বংশধরদের উপর রহমত বর্ষন করুন যেরূপ রহমত বর্ষন করেছেন ইবরাহীমের উপর। আপনি ইবরাহীমকে যেমন বরকত দান করেছেন তেমনি মুহাম্মাদ ও তাঁর বংশধরদের বরকত দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহান।) সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->তাশাহ্হুদ পড়ার পর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর দরুদ পাঠ হাঃ-৯৭৯

আবূ হুমাইদ আস-সাইদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো, হে আল্লাহর রসূল ! আমরা আপনার উপর কিভাবে দরূদ পড়বো? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বলোঃ “আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আয্ওয়াজিহি ওয়া যুররিয়াতিহি কামা সল্লাইতা ‘আলা ‘আলি ইবরাহীমা ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আযওয়াজিহি ওয়া যুররিয়াতিহি কামা বারাকতা ‘আলা ‘আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ”। (অর্থঃ হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রীগণ ও সন্তান-সন্তদির উপর রহমত বর্ষণ করুন যেমনি ইবরাহীমের অনুসারী ও বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছেন। এবং আপনি মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রীগণ ও সন্তান-সন্তদির উপর বরকত নাযিল করুন যেমনি ইবরাহীমের অনুসারী ও বংশধরদের উপর বরকত নাযিল করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহান।) সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর প্রতি দরূদ পাঠ। হাঃ-৯০৩

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল! এ হলো আপনার প্রতি সালাম যা আমরা জেনে নিয়েছি। অতএব দরূদ কীরূপ? তিনি বলেন তোমরা বলোঃ (অনুবাদ) - "হে আল্লাহ্! আপনার বান্দা ও রসূল মুহাম্মদের উপর আপনি রহমত বর্ষণ করুন, যেরূপ রহমত নাযিল করেছন ইবরাহীমের প্রতি। আপনি মুহাম্মদের উপর বরকত নাযিল করুন, যেরূপ নাযিল করেছেন ইবরাহিমের উপর। [৯০২]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর প্রতি দরূদ পাঠ। হাঃ-৯০৫

আবূ হুমায়দ আস-সাইদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার প্রতি দরূদ পাঠের জন্য আমরা আদিষ্ট হয়েছি। অতএব আমরা আপনার প্রতি কিভাবে দরূদ পাঠ করবো? তিনি বলেন, তোমরা বলোঃ (আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদ, ওয়া আযওয়াজিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা সল্লায়তা আলা ইবরাহীম। ওয়া বারিক আলা মুহাম্মাদ, ওয়া আযওয়াজিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা বারাকতা আলা আলি ইবরাহীম ফীল আলামীনা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।) "হে আল্লাহ্! মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রীগণ ও তাঁর বংশধরদের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি রহমত বর্ষণ করেছেন ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) - এর উপর এবং আপনি মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রীগণ ও বংশধরদের প্রতি বরকত নাযিল করুন, যেমন আপনি এ বিশ্বজগতে বরকত নাযিল করেছেন ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) এর বংশধরদের প্রতি। নিশ্চয়ই আপনি অধিক প্রশংসিত মহিমান্বিত"।[৯০৪]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কিতাবুল বিতর (বিতর নামায) বাব->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর দুরূদ পাঠের পদ্ধতি হাঃ-৪৮৩

কা’ব ইবনু উজরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকে কিভাবে সালাম করতে হবে তা আমরা জেনেছি, কিন্তু আপনার প্রতি কিভাবে দুরূদ পাঠ করব? তিনি বললেনঃ তোমরা বলো, “হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদের পরিবার-পরিজনের উপর রাহমাত বর্ষণ কর যেভাবে ইবরাহীমের উপর রাহমাত বর্ষণ করেছ। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত মর্যাদাবান। (হে আল্লাহ!) তুমি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার-পরিজনদের বারকাত দান কর, যেভাবে তুমি ইবরাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনদের বারকাত দান করেছ। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত”। ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলা বলেন, আমরা “তাদের সাথে আমাদের প্রতিও” শব্দটুকুও বলতাম। -সহীহ্‌। ইবনু মাজাহ- (৯০৪), বুখারী ও মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->তাফসীরুল কুরআন বাব->সূরা আল-আহযাব হাঃ-৩২২০

আবূ মাস‘ঊদ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। আমরা এ সময় সা‘দ ইবনু ‘উবাইদাহ্‌র মাজলিসে হাযির ছিলাম। বাশীর ইবনু সা‘দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আল্লাহ তা‘আলা আপনার উপর দরূদ পড়ার জন্য আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা কিভাবে আপনার উপর দরূদ পড়ব? বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিশ্চুপ রইলেন। এমনকি আমাদের মনে হল, আমরা যদি তাঁকে জিজ্ঞেস না করতাম। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বল- “আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীম, ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা ইব্‌রাহীমা ফিল ‘আলামীন। ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।” আর সালাম তো সেভাবেই যেভাবে তোমাদেরকে শেখানো হয়েছে। সহীহঃ সিফাতুস্‌ সালাত, সহীহ্‌ আবূ দাঊদ (৯০১), মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর দরূদ শরীফ পাঠ করার আদেশ হাঃ-১২৮৫

আবূ মাসঊদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সা’দ ইব্‌ন উবাদা (রাঃ)-এর মজলিসে আমাদের কাছে (একদিন) রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন, তাঁকে বশীর ইব্‌ন সা’দ (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! আল্লাহ তা’আলা আমাদের আপনার উপর দরূদ পড়তে আদেশ করেছেন, আমরা কিভাবে আপনার উপর দরূদ পড়ব? তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ রইলেন। আমরা অনুতাপ করলাম যে, যদি তাঁকে জিজ্ঞাসাই না করতাম! তারপর তিনি বললেন, তোমরা বলবেঃ (আরবি) আর সালামও করবে যেরূপ তোমরা শিখলে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->আর এক প্রকার (দরূদ শরীফ) হাঃ-১২৮৮

কা’ব ইব্‌ন উজরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌ ! আপনাকে সালাম পাঠানোর নিয়ম তো আমরা জানি, কিন্তু আপনার উপর দরূদ কিভাবে পড়বো? তিনি বললেন, তোমরা বলবেঃ (আরবি) আব্দুর রহমান (রহঃ) বলেন, আমরা বলে থাকি তাদের সঙ্গে আমাদের উপরেও (রহম ও বরকত বর্ষণ কর)। আবূ আব্দুর রহমান (নাসাঈ) (রহঃ) বলেন, পূর্ববর্তী সনদের তুলনায় অত্র সনদ অধিকতর সঠিক। কাসিম ইব্‌ন যাকারিয়া (রহঃ) ব্যতীত অন্য কেউ পূর্ববর্তী সনদে আমর ইব্‌ন মুররা (রহঃ)-এর নাম উল্লেখ করেন নি।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->আর এক প্রকার (দরূদ শরীফ) হাঃ-১২৯০

তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করতে হবে? তিনি বললেন, তোমরা বলবেঃ (আরবি)


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->আর এক প্রকার (দরূদ শরীফ) হাঃ-১২৯১

তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, ইয়া নবীআল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করব? তিনি বললেন, তোমরা বলবেঃ (আরবি)


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->আর এক প্রকার (দরূদ শরীফ) হাঃ-১২৯৩

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আপনার উপর সালাম পাঠানোর নিয়ম তো আমরা জানি, কিন্তু আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করব? তিনি বললেন, তোমরা বলবেঃ (আরবি)


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->বিত্‌রের সালাতে দোয়া পড়া হাঃ-১৭৪৬

হাসান ইব্‌ন আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়াসসাল্লাম) আমাকে এ বাক্যগুলো শিক্ষা দিয়েছেন বিত্‌রের সালাতে (পড়বার জন্য) তিনি বলেছেন, তুমি বলঃ (......আরবী.....)