‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে যুহ্র অথবা ‘আস্র-এর সলাত আদায় করালেন। সলাত শেষে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কে আমার পিছনে (আরবি) (সূরাহ্ আ’লা) পাঠ করেছ? এক ব্যক্তি বলল, আমি। এর মাধ্যমে কল্যাণই কামনা করেছিলাম। তিনি বললেন, আমি জানতে পেরেছি তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ আমার কাছ থেকে কুরআন ছিনিয়ে নিচ্ছে। (ই. ফা. ৭৭০, ই. সে. ৭৮২)
ইমরান ইবন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জোহরের সালাত আদায় করলেন। এক ব্যক্তি তাঁর পেছনে ‘সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ’লা’ পাঠ করল। তিনি যখন সালাত শেষ করলেন, তখন বললেন, ‘সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ’লা’ কে পাঠ করল? এক ব্যক্তি বলল, আমি পড়েছি। তখন তিনি বললেন, আমি জানতাম, তোমাদের কেউ কিরাআতে আমার সাথে ঝামেলা সৃষ্টি করবে।
ইমরান ইবন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার জোহর অথবা আসরের সালাত আদায় করলেন। আর এক ব্যক্তি তাঁর পেছনে কুরআন পড়ছিল। তিনি সালাত শেষ করে বললেন, তোমাদের মধ্যে কে ‘সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ’লা’ পাঠ করল? উপস্থিত লোকদের মধ্যে এক ব্যক্তি বলল, আমি পড়েছি। আর আমি তা দ্বারা কল্যাণ ব্যতীত কিছু কামনা করিনি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি বুঝলাম তোমাদের কেউ কিরাআতে আমার সাথে ঝামেলা সৃষ্টি করেছ।
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার জোহরের সালাত আদায় করছিলেন। তখন এক ব্যক্তি “সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ‘লা” তিলাওয়াত করল। তিনি সালাত আদায় শেষে জিজ্ঞাসা করলেন, “সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ‘লা” কে তিলাওয়াত করেছিল? এক ব্যক্তি বলল, আমি। তিনি বললেন, আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে, তোমাদের কেউ সালাতে আমাকে বিরক্ত করেছিলে।