শায়বান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১২৩৯ ই.সে. ১২৫১)
আবু বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ এবং আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... সকলে হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৫৯১, ই.সে. ১৫৯৮)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে আবূ উসামাহ্-এর হাদীসের সমর্থনে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ উসামাহ্ এর বর্ণিত হাদীসই পূর্ণাঙ্গ। (ই.ফা. ২০২৩, ই.সে. ২০৩০)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৭৩১, ই.সে. ২৭৩০)
‘উবায়দুল্লাহ্ (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩৩২২, ই.সে. ৩৩২০)
‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৭৫১, ই.সে. ৩৭৫১)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪২৮৫, ই. সে. ৪২৮৬)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩২৫, ই. সে. ৪৩২৬)
হিশাম (রহঃ) সনদ থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪০০, ই.সে. ৫৪২২)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে খালিদ হতে রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫৮৯২, ই.সে. ৫৯২৯)
হিশাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি অর্থাৎ- আবূ বকর এবং যুবায়র কথাটি অতিরিক্ত বলেছেন। (ই.ফা. ৬০৩২, ই.সে. নেই)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম (রহঃ) হতে এ সূত্রে রিওয়ায়াত রয়েছে। (ই.ফা. ৬১৬৫, ই.সে. ৬২০৯)
হিশাম (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর মু‘আয ইবনু হিশামের বর্ণিত হাদীসটি অধিক পরিপূর্ণ। (ই.ফা. ৬৬৭৩, ই.সে. ৬৭২৭)
হিশাম (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭২৫৪, ই.সে. ৭৩০৯)