সহিহ বুখারী অঃ→যুল্‌ম ও ক্বিসাস বাব→যদি কেউ কারো যুল্‌ম বা অন্যায় মাফ করে দেয়, তবে সেই যুল্‌মের জন্য পুনরায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা চলবে না। হাঃ-২৪৫০

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

“কোন স্ত্রী যদি স্বামীর অবজ্ঞা ও উপেক্ষার ভয় করে” - (আন-নিসা : ১২৮) আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] বলেন, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর কাছে বেশি যাওয়া-আসা করত না বরং তাকে পরিত্যাগ অর্থাৎ তালাক দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করত। [১৯] এ অবস্থায় স্ত্রী বলল, আমি তোমাকে আমার ব্যাপারে দায়মুক্ত করে দিলাম। এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।


সহিহ বুখারী অঃ→তাফসীর বাব→‘‘আর যদি কোন স্ত্রী তার স্বামীর পক্ষ থেকে অসদাচরণ কিংবা উপেক্ষার আশংকা করে।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/১২৮) হাঃ-৪৬০১

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

وَإِنْ امْرَأَةٌ خَافَتْ مِنْ بَعْلِهَا نُشُوزًا أَوْ إِعْرَاضًا আয়াত সম্পর্কে তিনি বলেছেন যে, কোন ব্যক্তির বিবাহ বন্ধনে কোন মহিলা থাকে কিন্তু স্বামী তার প্রতি আকৃষ্ট নয় বরং তাকে আলাদা করে দিতে চায়, তখন স্ত্রী বলে আমার এই দাবী থেকে আমি তোমাকে অব্যাহতি দিচ্ছি, এ সম্পর্কে এ আয়াত অবতীর্ণ হল। [২৪৫০] (আ.প্র. ৪২৪০, ই.ফা. ৪২৪৩)


সহিহ মুসলিম অঃ→তাফসীর বাব→মহান আল্লাহর বাণী : “যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহর স্মরণে তাদের হৃদয় ভক্তিতে বিগলিত হওয়ার সময় কি আসেনি” হাঃ-৭৪২৭

আইশাহ্ (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর বাণীঃ “কোন সহধর্মিণী যদি তার স্বামীর দুর্ব্যবহার ও উপেক্ষার আশঙ্কা করে, তবে স্বামী-স্ত্রী যদি সমঝোতা করতে চায় তাদের কোন দোষ নেই এবং সমঝোতা (সন্ধি) সর্বাবস্থায়ই উত্তম”- (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪ : ১২৮) তিনি এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি ঐ মহিলাদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে, যে এমন একজন পুরুষের কাছে ছিল, যার সাহচর্যে সে দীর্ঘদিন ছিল। এখন সে তাকে তালাক দিতে চায়। আর মহিলা বলে, আমাকে তালাক দিও না বরং আমাকে তোমার সাথে থাকতে দাও। তবে তোমার জন্য আমার পক্ষ হতে অন্য স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি থাকল। এ প্রসঙ্গে উপরোল্লিখিত আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। (ই.ফা. ৭২৫৬, ই.সে. ৭৩১১)


বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...