সহিহ বুখারী অঃ->অসীয়াত বাব->আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ হাঃ-২৭৬৫

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ) যে বিত্তবান সে যেন বিরত থাকে আর যে বিত্তহীন সে যেন সংগত পরিমাণ ভোগ করে (৪:৬)। আয়াতটি ইয়াতীমের অভিভাবক সম্বন্ধে নাযিল হয়েছে। অভিভাবক যদি অভাবগ্রস্ত হয়, তাহলে ন্যায়সঙ্গতভাবে ইয়াতীমের সম্পত্তি থেকে খেতে পারবে।


সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->- হাঃ-৪৫৭৫

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র বাণী وَمَنْكَانَغَنِيًّافَلْيَسْتَعْفِفْوَمَنْكَانَفَقِيرًافَلْيَأْكُلْبِالْمَعْرُوفِ সম্পদশালী গ্রহণ করবে না অবতীর্ণ হয়েছে ইয়াতীমের সম্পদ উপলক্ষে, যদি তত্ত্বাবধায়ক দরিদ্র হয় তাহলে তত্ত্বাবধানের বিনিময়ে ন্যায্য পরিমাণে তা থেকে ভোগ করবে। [২২১২] (আ.প্র. ৪২১৪, ই.ফা. ৪২১৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->তাফসীর বাব->মহান আল্লাহর বাণী : “যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহর স্মরণে তাদের হৃদয় ভক্তিতে বিগলিত হওয়ার সময় কি আসেনি” হাঃ-৭৪২৩

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মহান আল্লাহর বাণী: “এবং যে গরীব সে যেন ন্যায়ানুগ পন্থায় আহার করে”- (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪ : ৬)। তিনি বলেন, এ আয়াতটি ইয়াতীমের ধন-সম্পদের ঐ তত্ত্বাবধায়ক সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছে, যে তার সম্পদের তত্ত্বাবধান করছে এবং সেটা রক্ষণাবেক্ষণ করছে। যদি তত্ত্বাবধানকারী ব্যক্তি গরীব হয় তবে সে ন্যায়ানুগ পরিমাণ তা হতে পারিশ্রমিক হিসেবে আহার করতে পারবে। (ই.ফা. ৭২৫২, ই.সে. ৭৩০৭)