‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। وَتَرْغَبُونَ أَنْ تَنْكِحُوهُنَّ يَسْتَفْتُونَكَ فِي النِّسَاءِ قُلْ اللهُ يُفْتِيكُمْ فِيهِنَّ আয়াত সম্পর্কে তিনি বলেছেন যে, সে হচ্ছে ঐ ব্যক্তি যার নিকট ইয়াতীম বালিকা থাকে সে তার অভিভাবক এবং তার মুরুব্বী, এরপর সেই বালিকা সেই অভিভাবকের সম্পদের অংশীদার হয়ে যায়, এমনকি খেজুর বাগানেও। সে ব্যক্তি তাকে বিয়েও করে না এবং অন্য কারো নিকট বিয়ে দিতেও অপছন্দ করে এ আশঙ্কায় যে, তার যেই সম্পদে বালিকা অংশীদার সেই সম্পদে অন্য ব্যক্তি অংশীদার হয়ে যাবে। এভাবে সেই ব্যক্তি ঐ বালিকাকে আটকে রাখে। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়। [২৪৯৪] (আ.প্র. ৪২৩৯, ই.ফা. ৪২৪২)
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আল্লাহ তাদের সম্বন্ধে তোমাদেরকে বিধান জানিয়ে দিচ্ছেন সেসব নারী সম্পর্কে যাদের প্রাপ্য তোমরা প্রদান কর না অথচ তাদেরকে বিয়ে করতে চাও” (সূরা আন-নিসাঃ ১২৭) তিনি বলেন, এ আয়াত হচ্ছে ঐ ইয়াতীম নারীদের সম্পর্কে, যারা কোন অভিভাবকের আওতাধীন রয়েছে এবং তার ধন-সম্পদে সে মালিকানা রাখে কিন্তু তাকে বিয়ে করা পছন্দ করে না এবং তার সম্পদের জন্য অন্যের কাছে বিয়ে দিতে আগ্রহীও নয়, যাতে করে অন্য লোক এ সম্পত্তিতে তাদের সঙ্গে অংশীদার হয়ে না বসে (উক্ত আয়াতে অভিভাবকদের এরূপ অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৫২)
‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার বাণী: “এবং লোকেরা আপনার কাছে নারীদের সম্পর্কে বিধান জানতে চায়, বলুন, আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের ব্যাপারে বিধান জানিয়ে দিচ্ছেন”- (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪:১২৭) এর ব্যাখ্যায় বলেন, আয়াতটি ঐ ইয়াতীম মেয়েদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে, যে রয়েছে এমন এক পুরুষের তত্ত্বাবধানে যার সম্পদে এমনকি খেজুর বাগানেও উক্ত নারী অংশীদার। সে তাকে বিয়ে করতেও আগ্রহী নয় এবং অন্যের কাছে বিয়ে দিতেও আগ্রহী নয়। কেননা তাহলে সে তার সম্পদের শারীক হয়ে যায়। ফলে সে তাকে বিয়ের ব্যবস্থা না করে এমনিই ফেলে রাখে। (ই.ফা. ৭২৫১, ই.সে. ৭৩০৬)