আ‘মাশ (রহঃ)-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৪; ই.সে. ৩৭৫)
উক্ত সানাদের হাদীসটি বর্ণনা করেন। তবে তাদের উভয়ের হাদীসে তিন আঁজলা পানি মাথায় ঢেলে দেয়ার কথা নেই। আর ওয়াকী‘-এর হাদীসে ওযূর পূর্ণ বর্ণনা দেয়া হয়েছে। অতঃপর তিনি কুলি করা এবং নাকে পানি দেয়ার কথা তার হাদীসে বর্ণনা করেছেন। আবূ মু‘আবিয়ার হাদীসে রুমালের কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৬১৪, ই.সে. ৬২৯)
শায়বান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১২৩৯ ই.সে. ১২৫১)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও আবূ কুরায়ব, ‘উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইসহাক্ব ও ইবনু খশ্রাম (রহঃ) ….. সকলেই আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৪৬৭, ই.সে ১৪৭৬)
আ’মাশ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৩৬, ই.সে.২২৩৭)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৭৩১, ই.সে. ২৭৩০)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১৩৭, ই.সে. ৩১৩৫)
হিশাম (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও আবূ কুরায়ব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ মু’আবিয়াহ্ সহ সকলেই হিশাম (রাঃ) থেকে উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৩৯৫, ই.সে. ৩৩৯৪)
সা‘ঈদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা‘ঈদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) হতে উক্ত রূপ বর্ণিত। (ই. ফা. ৩৯৩২, ই. সে. ৩৯৩১)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪২৭২, ই. সে. ৪২৭২)
আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬১৫, ই. সে. ৪৬১৬)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৫, ই. সে. ৪৬২৬)
‘উমারাহ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৭০৭, ই.সে. ৪৭০৮)
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ)..... আ‘মাশ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫৫৪২, ই.সে. ৫৫৬৭)
আবূ মু’আবিয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত সূত্রে অত্র হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৬৮৩, ই.সে. ৫৭১৪)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে খালিদ হতে রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫৮৯২, ই.সে. ৫৯২৯)
সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬০৭৭, ই.সে. ৬১১৫)
আ‘মাশ (রাঃ) থেকে জারীর ও ওয়াকী’র সানাদ থেকে বর্নিতঃ
আবূ মু‘আবিয়াহ্ হতে আবূ বকর (রাঃ)-এর বর্ণিত সূত্রে মু‘আয ইবনু জাবালকে উবাইয়ের আগে এনেছে। আর আবূ কুরায়বের বর্ণনায় উবাই এর নাম মু‘আয (রাঃ)-এর নামের আগে এসেছে।
আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ’মাশ (রাঃ) থেকে এ সানাদে জারীর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি ঈসা (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে বলেন, এরপর তারা তাঁর সঙ্গে একান্তে মিলিত হলেন, তখন তিনি তাদের উভয়কে তিরস্কার করলেন এবং তাদেরকে লা’নাত দিয়ে বের করে দিলেন। (ই.ফা. ৬৩৭৮, ই.সে. ৬৪২৯)
আ‘মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ‘মাশ (রাঃ) হতে এ সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪০৪, ই.সে. ৬৪৫৫)
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.৬৪১০, ই.সে.৬৪৬০)
হিশাম (রহঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণিত। (ই.ফা. ৬৬২৫, ই.সে. ৬৬৮০)
আ‘মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৪৪, ই.সে. ৬৯০০)
আ‘মাশ (রহঃ) তার নিজস্ব সানাদ থেকে বর্নিতঃ
একই অর্থের হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, (সূরাহ বাকারাহ্’র) শেষের আয়াতগুলো সূদ (হারাম) সম্পর্কিত। সহীহঃ এর পূর্বেরটি দেখুন।