নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি। (তিনি বলেছেন) কোন মুসলিম বান্দা যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে প্রতিদিন ফার্য ছাড়াও আরো ১২ রাক‘আত নাফ্ল সলাত আদায় করে আল্লাহ তা’আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরী করেন অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) জান্নাতে তার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করা হয়। উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন- এরপর আর কখনো এ সলাত সমূহ আদায় করতে বিরত থাকিনি। আর ‘আমর ইবনু আওস বলেছেন-পরবর্তী সময়ে কখনো আমি এ সলাত আদায় করতে বিরত হই না। নু’মান ইবনু সালিমও অনুরূপ কথাই বলেছেন। (ই.ফা. ১৫৬৬, ই.সে. ১৫৭৩)
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র নামের যিকিরের জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি প্রাসাদ তৈরি করেন। [৭৩৩]
আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজ সম্পদ ব্যয়ে আল্লাহ্র জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করেন। [৭৩৫]
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ্র জন্য টিড্ডির ঢিবির ন্যায় বা তার চাইতেও ক্ষুদ্র একটি মসজিদ নির্মাণ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করেন। [৭৩৬]
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি মসজিদ থেকে ময়লা দূর করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। [৭৫৫]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি মাগরিব ও ইশার মধ্যবর্তী সময়ে বিশ রাকআত সালাত পড়ে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করেন। [১৩৭৩]
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তালার সুপ্রসন্নতা অর্জনের উদ্দেশ্যে একটি মসজিদ তৈরি করতে চাই তা ছোট হোক বা বড়, আল্লাহ তাআলা তাঁর জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করেন। যঈফ, তা’লিকুর রাগিব (১/১১৭)।
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সবসময় বার রাক’আত সুন্নাত নামায আদায় করে আল্লাহ তা’আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরী করেন। এ সুন্নাতগুলো হল, যুহরের (ফরযের) পূর্বে চার রাক’আত ও পরে দুই রাক’আত, মাগরিবের (ফরযের) পর দুই রাক’আত, ‘ইশার (ফরযের) পর দুই রাক’আত এবং ফযরের (ফরযের) পূর্বে দুই রাক’আত। সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(১১৪০)।
আমর ইব্ন আনবাসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যে ব্যক্তি একটি মসজিদ নির্মাণ করবে, যাতে আল্লাহকে স্মরণ করা হবে, আল্লাহ তা’আলা জান্নাতে তার জন্য একখানা ঘর নির্মাণ করবেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে ব্যক্তি দিবা রাত্র বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা) আদায়ে অভ্যস্থ হয়ে যায় আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানিয়ে রাখেন। চার রাকআত জোহরের ফরয সালাতের পূর্বে এবং দু’রাকআত জোহরের ফরয সালাতের পরে, দু’রাকআত মাগরিবের ফরয সালাতের পরে, দু’রাকআত ইশার ফরয সালাতের পরে এবং দু’রাকআত ফজরের ফরয সালাতের পূর্বে।
উম্মে হাবীবা বিন্ত আবূ সুফ্য়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি দিবা রাত্রি ফরয সালাত ব্যতীত বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদার) সালাত আদায় করবে আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন।
হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আম্বাসা ইব্ন আবূ সুফয়ান (রাঃ)-এর কাছে বর্ণনা করেছেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি দিবা রাত্রি ফরয সালাত ব্যতীত বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদার) সালাত আদায় করবে আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন।
উম্মে হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি দিনে বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদার) সালাত আদায় করবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন।
ইয়া‘লা ইব্ন উমায়্যা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি তায়েফ গিয়ে আম্বাসা ইব্ন আবূ সুফ্য়ান (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তিনি তখন মৃত্যু শয্যায় ছিলেন। আমি তাঁর মধ্যে (মৃত্যুর) ভীতি লক্ষ্য করে বললাম, ভাল অবস্থাতেই তো আপনার মৃত্যু হচ্ছে। তিনি বললেন, আমাকে আমার বোন উম্মে হাবীবা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি দিবা রাত্রে বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদার) সালাত আদায় করবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন।
উম্মে হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদার) সালাত যে ব্যক্তি আদায় করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন, চার রাকআত জোহরের ফরয সালাতের পূর্বে, দু’রাকআত ফরযের পরে, দু’রাকআত আসরের ফরয সালাতের পূর্বে, দু’রাকআত মাগরিবের ফরয সালাতের পরে, দু’রাকআত ফজরের ফরয সালাতের পূর্বে।
উম্মে হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা) সালাত আদায় করবে আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন। চার রাকআত জোহরের ফরয সালাতের পূর্বে, দু’রাকআত ফরযের পরে, দু’রাকআত আসরের ফরয সালাতের পূর্বে, দু’রাকআত মাগরিবের ফরয সালাতের পরে এবং দু’রাকআত ফজরের ফরয সালাতের পূর্বে।
উম্মে হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি দিবা-রাত্রে বার রাকআত (সুন্নাত মুওয়াক্কাদার) সালাত আদায় করবে, আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি দৈনিক বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদার) সালাত আদায় করবে, ফরয সালাত ব্যতীত, আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন।