‘আমরাহ বিন্তু আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি নিজ হাতে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরবানীর জন্তুর জন্য হার পাকিয়েছি। তারপর আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাতে তাকে হার পরিয়ে আমার পিতা [আবূ বকর (রাঃ)]-এর সঙ্গে পাঠিয়েছেন। কুরবানীর জন্তু যবেহ করার পর আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর কোন কিছু হারাম থাকেনি, যা আল্লাহ তাঁর জন্য হালাল করেছেন।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু‘আ করতেন : হে আল্লাহ্! মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবারবর্গকে জীবিকা দান কর।[মুসলিম ১২/৪৩, হাঃ ১০৫৫, আহমাদ ১০২৪১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০১৬)
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আল্লাহ্! আপনি মুহাম্মাদের পরিবারের জন্য কেবল জীবন ধারণোপযোগী (পরিমাণ) রিযিকের ব্যবস্থা করুন।[৩৪৭১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই দু’আ করেন : হে আল্লাহ্! মুহাম্মাদের পরিবারের জন্য শুধুমাত্র জীবন ধারণোপযোগী (পরিমাণ) রিযিকের ব্যবস্থা করুন। সহীহ্ , ইবনু মা-জাহ (৪১৩৬), বুখারী, মুসলিম।