আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কিছু সংখ্যক কঠিন মেজাজের গ্রাম্য লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল- ক্বিয়ামাত কবে হবে? তখন তিনি তাদের সর্ব-কনিষ্ঠ লোকটির দিকে তাকিয়ে বললেনঃ যদি এ লোক বেঁচে থাকে তবে তার বুড়ো হবার আগেই তোমাদের উপর তোমাদের ক্বিয়ামাত এসে যাবে। হিশাম বলেন, অর্থাৎ তাদের মৃত্যু। [মুসলিম ৫২/২৬, হাঃ ২৯৫২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৬৭)
আনাস ইবনু মালিক (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ
এক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করলেন যে, কিয়ামত কবে সংঘটিত হবে? এ কথা শুনে রসূল্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিচ্ছুক্ষণ নীরবতা অবলম্বন করেন। এরপর তিনি সম্মুখস্থ ইয্দ গোত্রের এক যুবকের প্রতি তাকালেন, বস্তুতঃ ইয্দ শানূয়ার একটি শাখা গোত্র। অতঃপর তিনি বললেন, এ ছোট ছেলেটি যদি দীর্ঘায়ু লাভ করে তবে তার বার্ধক্যে উপনীত হওয়ার আগেই কিয়ামাত সংঘটিত হয়ে যাবে। আনাস (রাযি:) বলেন, তখন এ বালক আমার সমবয়স্ক ছিল। (ই.ফা. ৭১৪৩, ই.সে. ৭১৯৫)
আনাস (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার সমবয়স্ক মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ্ (রাযি:) –এর এক গোলাম একদিন পথ অতিক্রম করছিল, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি তার হায়াত দীর্ঘায়ু হয় তবে সে বার্ধক্যে পৌঁছার আগেই কিয়ামাত সংঘটিত হয়ে যাবে। (ই.ফা. ৭১৪৪, ই.সে. ৭১৯৬)