আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি ..... পরবর্তী অংশ উপরোল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৪১৪ ই.সে ৪২৮)
বারা ইবনু ‘আযিয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাজ্র এবং মাগরিবের সলাতে কুনূত পড়তেন। (ই.ফা. ১৪২৬, ই.সে. ১৪৩৬)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) -এর মাধ্যমে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৫৪৩, ই.সে.১৫৫০)
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উবাই ইবনু কা’বকে লক্ষ করে বললেনঃ মহান আল্লাহ তোমার সামনে আমাকে (সূরাহ্) (আরবী) পড়ার জন্য আদেশ করেছেন। (এ কথা শুনে) উবাই ইবনু কা’ব বললেনঃ তিনি আপনার কাছে আমার নাম উল্লেখ করে বলেছেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ। তিনি (হাদীসের বর্ণনাকারী আনাস ইবনু মালিক) বলেন, এ কথা শুনে তিনি (উবাই ইবনু কা’ব) কেঁদে ফেললেন। (ই.ফা.১৭৩৫, ই.সে.১৭৪২)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে পূবালী হাওয়ার সাহায্যে বিজয়ী করা হয়েছে অথচ ‘আদ সম্প্রদায়কে পশ্চিমা বাতাসের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে। (ই.ফা. ১৯৫৭, ই.সে. ১৯৬৪)
মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস শুনেছি। (ই.ফা. ২১৭২, ই.সে. ২১৭৪)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
একই হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২২৮২, ই.সে. ২২৮৩)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ রাবী বলেন, তবে আমি সঠিক বলতে পারব না যে, তাঁর উপর এ কথাগুলো অবতীর্ণ হয়েছিল, না তিনি নিজের পক্ষ থেকে বলেছিলেন। এ সূত্রে বর্ণিত হাদীস উপরোল্লেখিত আবূ ‘আওয়ানার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৮৪, ই.সে. ২২৮৫)
‘উক্বাহ্ ইবনু ‘আমির আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে কুরবানীর জন্ত ভাগ করলে আমার ভাগে একটি ছ’মাসের বাচ্চা ছাগল পড়ে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি তো ছ’মাসের একটি বাচ্চা (ছাগল) পেয়েছি? তিনি বললেন তা-ই তুমি কুরবানী করো। (ই.ফা. ৪৯২৫, ই.সে. ৪৯২৯)
মুহারিব ইবনু দিসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হানতাম, দুব্বা ও মুযাফফাত হতে বারণ করেছেন। তিনি বলেন, আমি তাঁর কাছে কয়েকবার শুনেছি। (ই.ফা. ৫০২৬, ই.সে. ৫০৩৬)
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হানতাম হতে বারণ করেছেন। সে সময় আমি বললাম, হানতাম কি? তিনি বললেন, কলসী। (ই.ফা. ৫০২৯, ই.সে. ৫০৩৯)
আবূ সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিশ্র ইবনু খালিদ…… আবূ সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেন, আমি জাবির (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, খন্দক যুদ্ধে উবাই (রাঃ) এর হাত (কিংবা পা) এর মূল ধমনীতে তীর লাগানো হলো, তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে লোহা গরম করে দাগ দিলেন। (ই. ফা. ৫৫৫৯, ই. সে.৫৫৮৪)
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশস্ত চেহারার অধিকারী ছিলেন, টানাটানা নয়ন এবং সুষম গোড়ালি বিশিষ্ট আকৃতির অধিকারী ছিলেন। রাবী শু’বাহ্ (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, প্রশস্ত চেহারা কেমন? তিনি বললেন, বড় মুখাবয়ব। শু’বাহ্ বলেন, আমি বললাম, টানা চোখ কেমন? তিনি বললেন, চোখ দু’টো দীঘল দীর্ঘ ডাগর। তিনি বলেন যে, আমি বললাম, সুষম গোড়ালি কেমন? তিনি বললেন, হাল্কা গোড়ালি। (ই.ফা. ৫৮৬১, ই.সে. ৫৮৯৭)
‘উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৫৭৭, ই.সে. ৬৬৩১)
জাবির বিন সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে খুতবাহ দিতেন। তবে তিনি একবার কিছুক্ষণ বসতেন, অতঃপর (দ্বিতীয় খুতবাহ দিতে) দাঁড়াতেন। [১১০৫]
আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুদখোর, সুদদাতা, সুদের সাক্ষীদ্বয় এবং সুদের হিসাব রক্ষক বা দলীল লেখককে অভিসম্পাত করেছেন। [২২৭৭]
আবূ সাফওয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হিজরতের পূর্বে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কয়েকটি পায়জামা বিক্রি করলাম, তখন তিনি আমাকে [মূল্যের দিরহামগুলো] ঝুঁকিয়ে মেপে দেন।