সহিহ বুখারী অঃ->ওজু বাব->শৌচাগারে যাওয়ার সময় কী বলতে হয়? হাঃ-১৪২

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন প্রকৃতির ডাকে শৌচাগারে যেতেন তখন বলতেন, اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ (“হে আল্লাহ্ ! আমি মন্দ কাজ ও শয়তান থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি।”) ইব্‌ন ‘আর‘আরা (রহঃ) শুবা (রহঃ) সূত্রেও অনুরূপ বর্ণনা করেন। গুনদার (রহঃ) শুবা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, إِذَا أَتَى الْخَلاَءَ (যখন শৌচাগারে যেতেন)। মূসা (রহঃ) হাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, إِذَا دَخَلَ (যখন প্রবেশ করতেন)। সা‘ঈদ ইব্‌ন যায়দ (রহঃ) ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, ‘যখন প্রবেশ করার ইচ্ছা করতেন।’ (৬৩২২; মুসলিম ৩/৪২, হাঃ ৩৭৫, আহমাদ ১১৯৪৭, ১১৯৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪৪)


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->পায়খানায় প্রবেশের দু'আ হাঃ-৬৩২২

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন পায়খানায় প্রবেশ করতেন, তখন তিনি বলতেনঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে যাবতীয় পুরুষ ও স্ত্রী শয়তানদের থেকে আশ্রয় প্রার্থণা করছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৭০)


সহিহ মুসলিম অঃ->হায়িয (ঋতুস্রাব) বাব->শৌচাগারে প্রবেশ করলে কি বলতে হবে হাঃ-৭১৮

‘আবূল ‘আযীয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণিত রয়েছে। এ বর্ণনায় “আ’ঊযু বিল্লা-হি মিনাল খুব্‌সি ওয়াল খবা-য়িস” এর উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৭১৬, ই.সে. ৭৩১)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জের সফরে বা অন্য কোন সফরের উদ্দেশে যানবাহনে আরোহণকালীন দু’আ পড়া মুস্তাহাব এবং এর উক্ত দু’আর বর্ণনা হাঃ-৩১৬৮

‘আসিম আল- আহওয়াল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। অবশ্য ‘আবদুল ওয়াহিদের বর্ণনায় ‘ফীল মাল ওয়াল আহ্ল’ এবং মুহাম্মাদ ইবনু হাযম-এর বর্ণনায় প্রত্যাবর্তনকালে প্রথমে ‘আহ্ল’ শব্দ রয়েছে। উভয়ের বর্ণনায় রয়েছেঃ “আয় আল্লাহ! আমি সফরের কষ্ট ক্লান্তি হতে তোমার কাছে পানাহ চাই।“ (ই.ফা. ৩১৪৩, ই.সে. ৩১৪১)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম বাব->কুরআনের কিরাআত ও পাঠের নিয়ম হাঃ-৩৯৭২

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট কৃপণতা ও বার্ধক্য হতে আশ্রয় চাইছি।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ বাব->পায়খানায় প্রবেশকালে যা লোকের বলা কর্তব্য হাঃ-২৯৬

যায়দ বিন আরক্বাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, (পায়খানায়) এসব শয়তান উপস্থিত হয়। অতএব তোমাদের কেউ (পায়খানায়) প্রবেশকালে যেন বলেঃ “হে আল্লাহ্ ! আমি আপনার নিকট অপবিত্রতা ও শয়তানের চক্রান্ত থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।” [২৯৪]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ বাব->পায়খানায় প্রবেশকালে যা লোকের বলা কর্তব্য হাঃ-২৯৮

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন পায়খানায় প্রবেশ করতেন, তখন বলতেনঃ “আমি আল্লাহ্‌র নিকট অপবিত্রতা ও শয়তানের অশুভ চক্রান্ত থেকে পানাহ চাই।” [২৯৬]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->পবিত্রতা বাব->মলত্যাগ করতে যাওয়ার সময় যা বলবে হাঃ-৫

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানায় প্রবেশের কালে বলতেনঃ اللهم إني اعوذبك من الخبث والخبيث হে আল্লাহ! শয়তান,জ্বিন ও সকল কষ্টদায়ক প্রাণী থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি। الخبث والبيث এর স্থলে الخبث والخبا ئث ও বর্ণিত আছে। এই হাদীছটির অন্যমত রাবী শু‘বা বলেন, তাঁর উস্তাদ আবদুল আযীয ইবনু সুহাইাব اعوذبك এর স্থলে এক সময় اعوذ بالله ও রিওয়ায়াত করেছেন। - ইবনু মাজাহ ২৯৮, বুখারি ও মুসলিম


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->পবিত্রতা বাব->মলত্যাগ করতে যাওয়ার সময় যা বলবে হাঃ-৬

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মলত্যাগ করতে যাওয়ার সময় বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে জঘন্য পুরুষ ও স্ত্রী জ্বিন শাইতানের ক্ষতি হতে আশ্রয় চাই। সহীহ। দেখুন পূর্বের হাদীস।


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->পায়খানা—পেশাবের স্থানে প্রবেশ করার সময় দোয়া পাঠ করা হাঃ-১৯

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন পায়খানা—পেশাবের স্থানে প্রবেশের ইচ্ছা করতেন তখন পড়তেনঃ (আরবি) “হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি – পুরুষ শয়তান ও নারী শয়তান থেকে।”