কুতাইবাহ্ ইবনু সা'ঈদ (রহ.) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৮৩৭, ই.সে. ৮৫০)
ইসমা’ঈল ইবনু আবূ খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮৫, ই.সে. ১০৯৩)
আবূ কুরায়ব, ইসহাক্ব, আশাজ্জ, ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) ... তারা সকলে আ’মাশ (রাঃ) -এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অনূরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা, ১৪০৫, ই.সে. ১৪১৭)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও আবূ কুরায়ব, ‘উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইসহাক্ব ও ইবনু খশ্রাম (রহঃ) ….. সকলেই আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৪৬৭, ই.সে ১৪৭৬)
ইসহাক্ব ইবনু ইব্রাহীম, ‘আলী ইবনু খশ্রাম (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন উভয়ে আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৫০৯, ই.সে. ১৫১৮)
‘আমাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২০৪৬, ই.সে. ২০৫১)
আ’মাশ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ২৩৩১ ই. সে. ২৩৩২)
‘উবায়দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩০৪৪, ই.সে. ৩০৪১)
‘উসমান ইবনু শায়বাহ্, ইসহাক্ব ইবনু ইব্রাহীম, ইবনু নুমায়র, মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর মুক্বদ্দামী (রাহিমাহুলুল্লাহ) থেকে বর্নিতঃ
সবাই আ’মাশ (রহঃ) সুত্রে উপরোক্ত সানাদে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৪৪৭, ই.সে.৩৪৪৬)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ একই সানাদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা.৩৬১২, ই.সে.৩৬১)
যাকারীয়্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যাকারীয়্যা (রহঃ) -এর সূত্রে উক্ত সানাদে এরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৩৯৫০, ই. সে. ৩৯৪৮)
যুহায়র ইবনু হার্ব, ‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) আর সকলে জারীর হতে ও ‘আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ’মাশ (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪০৮৪, ই.সে. ৪০৮৩)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ’মাশ (রহঃ) হতে উল্লেখিত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২২৯, ই.সে. ৪২২৯)
‘আমীর ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু সামুরাহ্ ‘আদাবীর কাছে চিঠি প্রেরণ করেন যে, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে যা জেনেছেন তা বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি... পরবর্তী অংশ হাতিমের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৫৬১, ই.সে. ৪৫৬৮)
যুহায়র ইবনু হারব ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহায়র ইবনু হারব ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ)…… থেকে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৬৯৫, ই.সে. ৪৬৯৬)
হিশাম (রহঃ) সনদ থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪০০, ই.সে. ৫৪২২)
আল্ আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম ও ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) ….. আল্ আ’মাশ (রহঃ) -এর সানাদে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৫১০, ই.সে. ৫৫৩৫)
আবূ কুবায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ কুবায়ব (রহঃ) ও ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) হিশাম (রহঃ) -এর সানাদে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৫২৫, ই.সে. ৫৫৫০)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রেই অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেন। (ই.ফা. ৬০৭৫, ই.সে. ৬১১৩)
আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ’মাশ (রাঃ) থেকে এ সানাদে জারীর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি ঈসা (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে বলেন, এরপর তারা তাঁর সঙ্গে একান্তে মিলিত হলেন, তখন তিনি তাদের উভয়কে তিরস্কার করলেন এবং তাদেরকে লা’নাত দিয়ে বের করে দিলেন। (ই.ফা. ৬৩৭৮, ই.সে. ৬৪২৯)
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ‘ঈসা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (বানিয়ে দাও) উল্লেখ আছে। আর আবূ হুরায়রা্-এর হাদীসে (আরবী) (পুরস্কার) কথাটি উল্লেখ রয়েছে এবং জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (বানিয়ে দাও রহ্মাত) কথাটির উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৬৩৮১, ই.সে. ৬৪৩১ [ক])
আ‘মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ‘মাশ (রাঃ) হতে এ সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪০৪, ই.সে. ৬৪৫৫)
সুলাইমান আত্ তাইমী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে তার অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৬৯৬, ই.সে. ৬৭৫০)
আ‘মাশ (রহঃ)-এর সূ্ত্রে উক্ত সানাদ থেকে বর্নিতঃ
তবে তাদের সকলের বর্ণনাতেই রয়েছে যে, ‘বৃক্ষরাজি এক আঙ্গুলে এবং আর্দ্র মাটি এক আঙ্গুলে’। তবে জারীর-এর হাদীসে “সকল প্রকার সৃষ্টি এক আঙ্গুলে” কথাটি উল্লেখ নেই। অবশ্য তাঁর হাদীসে “পাহাড়সমূহ এক আঙ্গুলে” কথাটি রয়েছে। জারীর (রাঃ)-এর হাদীসে রয়েছে যে, তার কথায় অবাক হয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে সমর্থন করেন। (ই.ফা. ৬৭৯২, ই.সে. ৬৮৪৬)
আ‘মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৪৪, ই.সে. ৬৯০০)
আ‘মাশ (রাযিঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আবূ মু‘আবিয়ার অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ‘ঈসা (রহঃ)-এর সানাদে শাকীক (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি হুযাইফাহ্ (রাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৭০০৫, ই.সে. ৭০৬২)
আবূ হাইয়্যান (রাঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনু উলাইয়্যাহ আবূ ইদরীস-এর মতো তার হাদীসে (আঙ্গুর) বাক্যটি উল্লেখ করেছেন। আর রাবী ঈসা ইবনু মুসহির (রাঃ)-এর ন্যায় তার হাদীসের মধ্যে...... (আঙ্গুর) শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা ৭২৭৯, ই.সে. ৭৩৩৫)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমাদের ঋতুমতি কারো কোলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা রেখে কুরআন তিলাওয়াত করতেন।