সহিহ বুখারী অঃ->জানাযা বাব->মৃত ব্যক্তির সম্মুখে সকাল ও সন্ধ্যায় (জান্নাত ও জাহান্নামে তার আবাসস্থল) পেশ করা হয়। হাঃ-১৩৭৯

‘আবদুল্লাহ্‌ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ মারা গেলে অবশ্যই তার সামনে সকাল ও সন্ধ্যায় তার অবস্থান স্থল উপস্থাপন করা হয়। যদি সে জান্নাতী হয়, তবে (অবস্থান স্থল) জান্নাতীদের মধ্যে দেখানো হয়। আর সে জাহান্নামী হলে, তাকে জাহান্নামীদের (অবস্থান স্থল দেখানো হয়) আর তাকে বলা হয়, এ হচ্ছে তোমার অবস্থান স্থল, ক্বিয়ামত দিবসে আল্লাহ তোমাকে পুনরুত্থিত করা অবধি।


সহিহ বুখারী অঃ->সৃষ্টির সূচনা বাব->জান্নাতের বর্ণনা সম্পর্কে যা বলা হয়েছে আর তা হল সৃষ্ট হাঃ-৩২৪০

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমাদের কোন ব্যক্তি মারা যায় তখন সকাল-সন্ধায় তার পরকালের আবাসস্থল তার নিকট পেশ করা হয়। সে যদি জান্নাতবাসী হয় তবে তাকে জান্নাতবাসীর আবাস স্থান আর যদি সে জাহান্নাম বাসী হয় তবে তাকে জাহান্নামবাসীর আবাসস্থান দেখান হয়।


সহিহ বুখারী অঃ->কোমল হওয়া বাব->মৃত্যুর যন্ত্রণা হাঃ-৬৫১৫

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে, (কবরে) প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় তার জান্নাত অথবা জাহান্নামের ঠিকানা তার সামনে পেশ করা হয়। এবং বলা হয় যে, এই হলো তোমার ঠিকানা তোমার পুনরুত্থান পর্যন্ত (এটা তোমার সামনে পেশ করা হতে থাকবে)।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৭১)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি বাব->কবর ও তার বিপর্যয়কর পরিস্থিতি হাঃ-৪২৭০

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের যে কেউ মারা যাওয়ার পর তার সামনে সকাল-সন্ধ্যায় তার বসবাসের ঠিকানা তুলে ধরা হয়। সে জান্নাতি হয়ে থাকলে জান্নাতীদের অবস্থান দেখানো হয় এবং জাহান্নামী হলে জাহান্নামীদের অবস্থান দেখানো হয়। তাকে বলা হয়, কিয়ামতের দিন তোমাকে উঠানোর পর থেকে এটাই হবে তোমার আবাস।[৩৬০২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->বিবাহ বাব->বিয়ে না করা বা চিরকুমার থাকা নিষিদ্ধ হাঃ-১০৮২

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(বিয়ে না করে) চিরকুমার থাকতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারণ করেছেন। যাইদ ইবনু আখযাম (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদীসে আরো আছেঃ এ আয়াতটি কাতাদাহ (রহঃ) পাঠ করেনঃ "আমরা আরো অনেক রাসূলকেই তোমার পূর্বে প্রেরণ করেছি এবং তাদেরকে স্ত্রী ও সন্তান দিয়েছি" (সূরা রা'দ-৩৮)। সহীহ, পূর্বের হাদীসের সহায়তায়


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->কবরের উপর খেজুরের ডাল রাখা হাঃ-২০৭০

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শুনো, যখন তোমাদের কেউ মৃত্যুবরণ করে তখন তাকে সকাল সন্ধ্যা তার স্থান দেখানো হয়। যদি সে বেহেশতী হয় তবে বেহেশতীদের স্থান। আর যদি দোযখী হয় দোযখীদের স্থান দেখানো হয়। আল্লাহ্‌ তা’আলা তাকে কিয়ামতের দিন উঠানোর পূর্ব পর্যন্ত (তাকে এরূপ দেখানো হবে)।


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->কবরের উপর খেজুরের ডাল রাখা হাঃ-২০৭১

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন মৃত্যুবরণ করে তখন সকাল সন্ধ্যা তাকে তার স্থান দেখানো হয়। যদি সে জান্নাতী হয় তবে তাকে জান্নাতীদের স্থান এবং যদি জাহান্নামী হয় তবে তাকে জাহান্নামীদের স্থান দেখিয়ে বলা হয় যে, এটাই তোমার স্থান। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্‌ তা’আলা তাকে উঠানো পর্যন্ত (তাকে এরূপ দেখানো হবে)।


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->কবরের উপর খেজুরের ডাল রাখা হাঃ-২০৭২

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কারো যখন মৃত্যু হয় তখন সকাল সন্ধ্যা তার স্থান তাকে দেখানো হয়। যদি সে জান্নাতী হয় তবে জান্নাতীদের স্থান। আর জাহান্নামী হলে জাহান্নামীদের স্থান দেখিয়ে বলা হয় যে, এটা তোমার স্থান। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্‌ তা’আলা তাকে উঠানো পর্যন্ত (তাকে এরূপ দেখানো হবে)।