সহিহ বুখারী অঃ->তায়াম্মুম বাব->মুকীম অবস্থায় পানি না পেলে এবং সালাত ছুটে যাওয়ার আশংকা থাকলে তায়াম্মুম করা। হাঃ-৩৩৭

আবূ জুহায়ম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনার কাছে অবস্থিত ‘বি’রে জামাল’ হতে আসছিলেন। পথিমধ্যে তাঁর সাথে এক ব্যক্তির সাক্ষাত হলো। লোকটি তাঁকে সালাম করলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জওয়াব না দিয়ে দেয়ালের নিকট অগ্রসর হয়ে তাতে (হাত মেরে) নিজের চেহারা ও হস্তদ্বয় মাস্‌হ করে নিলেন, তারপর সালামের জবাব দিলেন। (মুসলিম ৩/২৮, হাঃ ৩৬৯ আহমদ ১৭৫৪৯) (আ.প্র. ৩২৫, ই.ফা. ৩৩০)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->পবিত্রতা অর্জন বাব->মুকীম অবস্থায় তায়াম্মুম করা হাঃ-৩২৯

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -এর আযাদকৃত গোলাম ‘উমাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী মায়মূনাহ (রাঃ) -এর আযাদকৃত গোলাম ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াসার আবূল জুহায়িম ইবনুল হারিস ইবনুল সিম্মাহ আল-আনসারী (রাঃ) -এর নিকট গিয়ে পৌঁছলাম। আবূল জুহায়িম বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মদীনার নিকটবর্তী) জামাল নামক একটি কূপের দিক থেকে আসছিলেন। পথে তাঁর সাথে এক ব্যক্তির সাক্ষাত হলে লোকটি তাঁকে সালাম দিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সালামের জবাব না দিয়ে একটি দেয়ালের নিকট গেলেন এবং তাঁর মুখমণ্ডল ও উভয় হাত মাসাহ্ করলেন। অতঃপর তার সালামের জবাব দিলেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। অবশ্য মুসলিম এটি তা‘লীক্বভাবে বর্ণনা করেছেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->মুকীমের তায়াম্মুম হাঃ-৩১১

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, আমি এবং মায়মূনা (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম আবদুল্লাহ ইব্‌ন ইয়াসার আবূ জুহায়াম ইব্‌ন সিম্মা আনসারী (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। আবূ জুহায়ম বললেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘বি’র আল- জামাল’–এর দিক থেকে আসছিলেন, তাঁর সাথে এক ব্যক্তির সাক্ষাত হল। সে তাঁকে সালাম করল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সালামের উত্তর দিলেন না। তিনি একটি দেওয়ালের নিকট আসলেন এবং তাঁর চেহারা ও উভয় হাত মসেহ করলেন, এরপর সালামের জবাব দিলেন।