সহিহ বুখারী অঃ->সৃষ্টির সূচনা বাব->জান্নাতের বর্ণনা সম্পর্কে যা বলা হয়েছে আর তা হল সৃষ্ট হাঃ-৩২৫৬

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অবশ্যই জান্নাতবাসীরা তাদের উপরের বালাখানার বাসিন্দাদের এমনভাবে দেখতে পাবে, যেমন তোমরা আকাশের পূর্ব অথবা পশ্চিম দিকে উজ্জ্বল দীপ্তিমান নক্ষত্র দেখতে পাও। এটা হবে তাদের মধ্যে মর্যাদার পার্থক্যের কারণে। সাহাবীগণ বললেন, ‘হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ তো নবীগণের জায়গা। তাদের ব্যতিত অন্যরা সেখানে পৌঁছতে পারবে না। তিনি বললেন, হ্যাঁ, সে সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, যেসব লোক আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনবে এবং রসূলগণকে সত্য বলে স্বীকার করবে।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->জান্নাতের বিবরণ বাব->জান্নাতবাসীরা নিজ নিজ বালাখানা (প্রাসাদ) থেকে পরস্পরকে দেখবে হাঃ-২৫৫৬

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতবাসীরা নিজেদের অট্টালিকা (প্রাসাদ) থেকে সম্মান অনুযায়ী পরস্পরকে দেখতে পাবে, যেভাবে তোমরা পূর্বাকাশে উদয়াচলে ও পশ্চিমাকাশে অস্তাচলে নক্ষত্রসমুহ দেখতে পাও। তারা প্রশ্ন করেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তারা কি নাবীগণ? তিনি বলেন, হ্যাঁ। সেই মহান সত্তার শপথ, যার হাতে আমার জীবন! সেসব ব্যক্তিও উচ্চ সম্মানের আসনে থাকবে যারা আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসুলের প্রতি বিশ্বাস স্হাপন করেছে এবং রাসূলদেরকে সত্য বলে স্বীকার করেছে। সহীহঃ রাওযুন নাযীর (২/৩৬০-৩৬১), তা’লীকুর রাগীব (৪/২৫১), বুখারী, মুসলিম।