সুনানে আবু দাউদ অঃ->অপরাধ ও তার শাস্তি বাব->যে ব্যাক্তি কোন মহিলার সাথে সঙ্গম ছাড়া অন্য সবকিছু করে এবং কর্তৃপক্ষের নিকট ধরা পড়ার পূর্বেই তাওবাহ করে নেয় হাঃ-৪৪৬৮

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক ব্যাক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, আমি মাদীনাহ্‌র উপকন্ঠে জনৈকা নারীর সঙ্গে সঙ্গম ছাড়া সবকিছুই করেছি। এখন আমি এখানে উপস্থিত। আপনি যা ইচ্ছা আমাকে শাস্তি দিন। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তোমার এ অপরাধ গোপন রেখেছিলেন, তুমিও যদি তা তোমার নিকট গোপন রাখতে! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কথার কোন উত্তর দেননি। কাজেই লোকটি ফিরে গেলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার পিছনে একজন লোক পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনলেন এবং এ আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ “দিনের দু’প্রান্তে ও রাতের প্রথামাংশে তুমি সালাত ক্বায়িম করো, নিশ্চয় সৎকাজসমূহ গুনাহসমূহকে মুছে দেয়। উপদেশ গ্রহণকারীদের জন্য এটা এক নসীহত” (সূরাহ হূদঃ ১১৪)। উপস্থিত লোকদের মধ্য হতে এক লোক বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এ আয়াত কি শুধু তার জন্য নির্দিষ্ট, নাকি সবার জন্য? তিনি বললেনঃ বরং তা সকল মানুষের জন্য। [৪৪৬৭]


সুনানে আবু দাউদ অঃ->অপরাধ ও তার শাস্তি বাব->যে ব্যাক্তি কোন মহিলার সাথে সঙ্গম ছাড়া অন্য সবকিছু করে এবং কর্তৃপক্ষের নিকট ধরা পড়ার পূর্বেই তাওবাহ করে নেয় হাঃ-৪৪৬৮

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক ব্যাক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, আমি মাদীনাহ্‌র উপকন্ঠে জনৈকা নারীর সঙ্গে সঙ্গম ছাড়া সবকিছুই করেছি। এখন আমি এখানে উপস্থিত। আপনি যা ইচ্ছা আমাকে শাস্তি দিন। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তোমার এ অপরাধ গোপন রেখেছিলেন, তুমিও যদি তা তোমার নিকট গোপন রাখতে! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কথার কোন উত্তর দেননি। কাজেই লোকটি ফিরে গেলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার পিছনে একজন লোক পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনলেন এবং এ আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ “দিনের দু’প্রান্তে ও রাতের প্রথামাংশে তুমি সালাত ক্বায়িম করো, নিশ্চয় সৎকাজসমূহ গুনাহসমূহকে মুছে দেয়। উপদেশ গ্রহণকারীদের জন্য এটা এক নসীহত” (সূরাহ হূদঃ ১১৪)। উপস্থিত লোকদের মধ্য হতে এক লোক বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এ আয়াত কি শুধু তার জন্য নির্দিষ্ট, নাকি সবার জন্য? তিনি বললেনঃ বরং তা সকল মানুষের জন্য। [৪৪৬৭]


সুনানে আবু দাউদ অঃ->অপরাধ ও তার শাস্তি বাব->যে ব্যাক্তি কোন মহিলার সাথে সঙ্গম ছাড়া অন্য সবকিছু করে এবং কর্তৃপক্ষের নিকট ধরা পড়ার পূর্বেই তাওবাহ করে নেয় হাঃ-৪৪৬৮

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক ব্যাক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, আমি মাদীনাহ্‌র উপকন্ঠে জনৈকা নারীর সঙ্গে সঙ্গম ছাড়া সবকিছুই করেছি। এখন আমি এখানে উপস্থিত। আপনি যা ইচ্ছা আমাকে শাস্তি দিন। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তোমার এ অপরাধ গোপন রেখেছিলেন, তুমিও যদি তা তোমার নিকট গোপন রাখতে! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কথার কোন উত্তর দেননি। কাজেই লোকটি ফিরে গেলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার পিছনে একজন লোক পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনলেন এবং এ আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ “দিনের দু’প্রান্তে ও রাতের প্রথামাংশে তুমি সালাত ক্বায়িম করো, নিশ্চয় সৎকাজসমূহ গুনাহসমূহকে মুছে দেয়। উপদেশ গ্রহণকারীদের জন্য এটা এক নসীহত” (সূরাহ হূদঃ ১১৪)। উপস্থিত লোকদের মধ্য হতে এক লোক বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এ আয়াত কি শুধু তার জন্য নির্দিষ্ট, নাকি সবার জন্য? তিনি বললেনঃ বরং তা সকল মানুষের জন্য। [৪৪৬৭]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->তাফসীরুল কুরআন বাব->সুরা হূদ হাঃ-৩১১২

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক ব্যক্তি এসে বলল, আমি মাদীনার শেষ প্রান্তে এক মহিলাকে স্পর্শ করেছি এবং আমি তার সাথে সহবাস ব্যতীত সবই করেছি। আমি এখন আপনার নিকট এসেছি। আপনি যা ইচ্ছা আমার ব্যাপারে ফাইসালা করেন। ‘উমার(রাঃ) তাকে বললেন, আল্লাহ তা’আলা তোমার অপরাধ গোপন রেখেছেন, এখন তুমিও যদি তা গোপন রাখতে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কারো কথায় প্রতিউত্তর করলেন না। লোকটি উঠে চলে যাওয়ার পর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনেন এবং এই আয়াত পাঠ করে শুনান (অনুবাদ) : “তুমি নামায কায়েম কর দিনের দুই প্রান্তভাগে এবং রাতের প্রথমাংশে। সৎকাজসমুহ অন্যায় কাজসমূহকে দূর করে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহন করে তাদের জন্য এটা এক উপদেশ’’ (সুরা হূদ ১১৪)। উপস্থিত লোকদের মধ্যে একজন বলল, এটা কি শুধু তার বেলায় প্রযোজ্য? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না, বরং সকলের জন্য। হাসান সহীহ : ইবনু মা-জাহ (১৩৯৮), মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->তাফসীরুল কুরআন বাব->সুরা হূদ হাঃ-৩১১২

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক ব্যক্তি এসে বলল, আমি মাদীনার শেষ প্রান্তে এক মহিলাকে স্পর্শ করেছি এবং আমি তার সাথে সহবাস ব্যতীত সবই করেছি। আমি এখন আপনার নিকট এসেছি। আপনি যা ইচ্ছা আমার ব্যাপারে ফাইসালা করেন। ‘উমার(রাঃ) তাকে বললেন, আল্লাহ তা’আলা তোমার অপরাধ গোপন রেখেছেন, এখন তুমিও যদি তা গোপন রাখতে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কারো কথায় প্রতিউত্তর করলেন না। লোকটি উঠে চলে যাওয়ার পর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনেন এবং এই আয়াত পাঠ করে শুনান (অনুবাদ) : “তুমি নামায কায়েম কর দিনের দুই প্রান্তভাগে এবং রাতের প্রথমাংশে। সৎকাজসমুহ অন্যায় কাজসমূহকে দূর করে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহন করে তাদের জন্য এটা এক উপদেশ’’ (সুরা হূদ ১১৪)। উপস্থিত লোকদের মধ্যে একজন বলল, এটা কি শুধু তার বেলায় প্রযোজ্য? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না, বরং সকলের জন্য। হাসান সহীহ : ইবনু মা-জাহ (১৩৯৮), মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->তাফসীরুল কুরআন বাব->সুরা হূদ হাঃ-৩১১২

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক ব্যক্তি এসে বলল, আমি মাদীনার শেষ প্রান্তে এক মহিলাকে স্পর্শ করেছি এবং আমি তার সাথে সহবাস ব্যতীত সবই করেছি। আমি এখন আপনার নিকট এসেছি। আপনি যা ইচ্ছা আমার ব্যাপারে ফাইসালা করেন। ‘উমার(রাঃ) তাকে বললেন, আল্লাহ তা’আলা তোমার অপরাধ গোপন রেখেছেন, এখন তুমিও যদি তা গোপন রাখতে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কারো কথায় প্রতিউত্তর করলেন না। লোকটি উঠে চলে যাওয়ার পর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনেন এবং এই আয়াত পাঠ করে শুনান (অনুবাদ) : “তুমি নামায কায়েম কর দিনের দুই প্রান্তভাগে এবং রাতের প্রথমাংশে। সৎকাজসমুহ অন্যায় কাজসমূহকে দূর করে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহন করে তাদের জন্য এটা এক উপদেশ’’ (সুরা হূদ ১১৪)। উপস্থিত লোকদের মধ্যে একজন বলল, এটা কি শুধু তার বেলায় প্রযোজ্য? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না, বরং সকলের জন্য। হাসান সহীহ : ইবনু মা-জাহ (১৩৯৮), মুসলিম।