সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ {وَأَقِمْ الصَّلَاةَ طَرَفَيْ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنْ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِيْنَ} হাঃ-৪৬৮৭

ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার এক ব্যক্তি এক মহিলাকে চুমু দিলেন। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে এ ঘটনা বললেন, তখন (এ ঘটনা উপলক্ষে) এ আয়াত নাযিল হয়। وَأَقِمْ الصَّلاَةَ طَرَفَيْ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنْ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ“সলাত কায়িম করবে দিনের দু’ প্রান্তে এবং রাতের প্রথমভাগে । পুণ্য অবশ্যই মুছে ফেলে বদ কাজ। যারা নাসীহাত গ্রহণ করে তাদের জন্য এটি এক নাসীহাত” (সূরাহ হূদ ১১/১১৪)। তখন সে লোকটি বলল, এ নির্দেশ কি কেবল আমার জন্য? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমার উম্মাতের যেই এর ‘আমাল করবে তার জন্য। [৫২৬] (আ.প্র. ৪৩২৬, ই.ফা. ৪৩২৭)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->পার্থিব ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি বাব->তওবা সম্পর্কে আলোচনা হাঃ-৪২৫৪

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো যে, সে এক বেগানা মহিলাকে চুমা দিয়েছে। সে এর কাফ্‌ফারা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে থাকলো। কিন্তু তিনি তাকে কোন উত্তর দিলেন না। তখন মহামহিম আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করলেন (অনুবাদ) : “দিনের দু’ প্রান্তভাগে এবং রাতের প্রথমাংশে নামায কায়েম করো। নিশ্চয় সৎকাজ অসৎ কাজকে দূরীভূত করে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহন করে, এটা তাদের জন্য উপদেশ” (সূরা হূদঃ ১১৪)। লোকটি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! এ নির্দেশ কি কেবল আমার জন্য সীমিত? তিনি বলেনঃ আমার উম্মাতের যে কেউ এর উপর আমল করবে, তার জন্যই। [৩৫৮৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।