যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাসীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৯১৮, ই.সে. ৯৩০)
ইসমা’ঈল ইবনু আবূ খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮৫, ই.সে. ১০৯৩)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১৩০৪, ই.সে.১৩১৬)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪২৫২, ই. সে. ৪২৫২)
উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৩২৭, ই.সে. ৫৩৪৪)
হিশাম (রহঃ) সনদ থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪০০, ই.সে. ৫৪২২)
হাসান ইবনু উবাইদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও ইস্হাক ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) ..... হাসান ইবনু উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৮১, ই.সে. ৫৫০৪)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রেই অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেন। (ই.ফা. ৬০৭৫, ই.সে. ৬১১৩)
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৬৬, ই.সে. ৭০২৪)