সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->তাড়াহুড়া না করলে বান্দার দু'আ কবূল হয়ে থাকে। হাঃ-৬৩৪০

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের প্রত্যেক ব্যক্তির দু'আ কবূল হয়ে থাকে। যদি সে তাড়াহুড়া না করে আর বলে যে, আমি দু'আ করলাম। কিন্তু আমার দু'আ তো কবূল হলো না।[মুসলিম ৪৮/২৪, হাঃ ২৭৩৫, আহমাদ ১৩০০৭]আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->দু‘আকারীর দু‘আ গৃহীত হয়; যদি সে তাড়াহুড়া না করে বলে, “আমি দু‘আ করলাম কিন্তু গৃহীত হলো না”- তার বর্ণনা হাঃ-৬৮২৮

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কারো দু‘আ তখনই গৃহীত হয় যখন সে তাড়াহুড়া না করে। সে বলতে থাকে, আমি আমার প্রভুকে আহবান করলাম আর তিনি আমার আহ্বানে সাড়া দেয়া হল না। (ই.ফা. ৬৬৮৪, ই.সে. ৬৭৩৯)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->বিতর সালাত বাব->দু‘আ সম্পর্কে হাঃ-১৪৮৪

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের দু‘আ কবুল হয়ে থাকে, যতক্ষণ না সে তাড়াহুড়া করে এবং বলে, আমি তো দু‘আ করেছি, অথচ কবুল হয়নি? সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->দু’আ সমূহ বাব->যে ব্যক্তি দু‘আয় (প্রতিফল লাভে) তাড়াহুড়া করে হাঃ-৩৩৮৭

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের যে কোন ব্যক্তির দু‘আই ক্ববূল হয়ে থাকে, যতক্ষণ না সে তাড়াহুড়া করে বলতে থাকে, দু‘আ তো করলাম অথচ আমার দু‘আ ক্ববূল হয়নি। সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (হাঃ ১৩৩৪), বুখারী ও মুসলিম।