আ‘মাশ (রহঃ)-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৪; ই.সে. ৩৭৫)
আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৭৩৯, ই. সে. নেই)
হিশাম (রহঃ) -এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৮৮৫, ই.সে. ৮৯৮)
শায়বান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১২৩৯ ই.সে. ১২৫১)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৭৩১, ই.সে. ২৭৩০)
হিশাম (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও আবূ কুরায়ব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ মু’আবিয়াহ্ সহ সকলেই হিশাম (রাঃ) থেকে উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৩৯৫, ই.সে. ৩৩৯৪)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩২৫, ই. সে. ৪৩২৬)
আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬১৫, ই. সে. ৪৬১৬)
হিশাম (রহঃ) হতে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
(অনুরূপ) হাদীস বর্ণিত। (ই.ফা. ৪৮৬৯, ই.সে. ৪৮৭০)
আবূ মু’আবিয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত সূত্রে অত্র হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৬৮৩, ই.সে. ৫৭১৪)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, আবূ কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে হিশাম হতে রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তাঁদের একে অন্য হতে কিছু বর্ধিত রিওয়ায়াত করেছেন।(ই.ফা. ৫৮৪৩, ই.সে.৫৮৭৮)
আবূ কুরায়ব (রহঃ) হিশাম-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
আবূ কুরায়ব (রহঃ) হিশাম-এর সূত্রে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৩০, ই.সে. ৬৩৭৮)
হিশাম (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর মু‘আয ইবনু হিশামের বর্ণিত হাদীসটি অধিক পরিপূর্ণ। (ই.ফা. ৬৬৭৩, ই.সে. ৬৭২৭)
আ‘মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৪৪, ই.সে. ৬৯০০)
হিশাম (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭২৫৪, ই.সে. ৭৩০৯)