সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->কবূল হবার দৃঢ় আশা নিয়ে দু'আ করবে। কারণ কবূল করতে আল্লাহ্‌কে বাধা দানকারী কেউ নেই। হাঃ-৬৩৩৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কখনো এ কথা বলবে না যে, হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে দয়া করুন। বরং দৃঢ় আশা নিয়ে দু'আ করবে। কারণ আল্লাহ্‌কে বাধ্য করার কেউ নেই।[৭৪৭৭; মুসলিম ৪৮/৩, হাঃ ২৬৭৯, আহমাদ ৯৯৭৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৮৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৮৭)


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->আল্লাহ্‌র ইচ্ছা ও চাওয়া। হাঃ-৭৪৭৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কেউ এভাবে দু’আ করো না, হে আল্লাহ্! তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করে দাও। তুমি চাইলে আমার প্রতি রহম কর। তুমি চাইলে আমাকে রিয্‌ক দাও। বরং দু’আ প্রার্থী খুবই দৃঢ়তার সঙ্গে দু’আ করবে কেননা, তিনি যা চান তাই করেন। তাকে বাধ্য করার কেউ নেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৯)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->বিতর সালাত বাব->দু‘আ সম্পর্কে হাঃ-১৪৮৩

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে, হে আল্লাহ! তোমরা ইচ্ছা হলে আমার প্রতি অনুগ্রহ করো। বরং যা চাওয়ার দৃঢ়তার সাথে চাইবে। কেননা তাঁর উপর কারোর প্রভাব চলে না। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->দুআ বাব->কোন ব্যক্তি এভাবে বলবে না, হে আল্লাহ্‌! তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো হাঃ-৩৮৫৪

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন এভাবে না বলে : ‘‘হে আল্লাহ্‌ তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো’’, বরং সে যেন পূর্ণ দৃঢ়তা সহকারে কামনা করে। কেননা কোন কাজই আল্লাহ্‌র জন্য বাধ্যতামূলক নয়। [৩১৮৬]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->দু’আ সমূহ বাব->(দৃঢ় প্রত্যয়ের সাথে দু’আ করা) হাঃ-৩৪৯৭

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এভাবে না বলে, “ হে আল্লাহ্‌ ! তুমি চাইলে আমাকে মাফ কর। হে আল্লাহ্‌! তুমি চাইলে আমার প্রতি দয়া কর”। বরং সে যেন পূর্ণ দৃঢ়তার সঙ্গে কামনা করে। কেননা আল্লাহ্‌ তা’আলার উপর জবরদস্তকারী কেউ নাই। সহীহ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩৮৫৪), বুখারি ও মুসলিম।