সহিহ বুখারী অঃ->ফাযায়িলুল কোরআন বাব->যতক্ষণ মন চায় কুরআন তিলাওয়াত করা। হাঃ-৫০৬০

জুনদুব ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত ইবাদাত মনের চাহিদার অনুকূল হয় তিলাওয়াত করতে থাক এবং (তাতে) মনোসংযোগে ব্যাঘাত ঘটলে পড়া ত্যাগ কর। [৫০৬১, ৭৩৬৪, ৭৩৬৫; মুসলিম ৪৭/১, হাঃ ২৬৬৭, আহমাদ ১৮৮৩৮] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৮৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৯১)


সহিহ বুখারী অঃ->ফাযায়িলুল কোরআন বাব->যতক্ষণ মন চায় কুরআন তিলাওয়াত করা। হাঃ-৫০৬১

জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত ইবাদাত মনের চাহিদার অনুকূল হয় তিলাওয়াত করতে থাক এবং তাতে মনোসংযোগে ব্যাঘাত ঘটলে পড়া ত্যাগ কর। হারিস ইবনু ‘উবায়দ ও সা’ঈদ ইবনু যায়দ আবূ ‘ইমরান এর মাধ্যমে জুনদাবের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু হাম্মাদ ইবনু সালামাহ ও আবান এটিকে মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেননি। ….. তবে জুনদাবের বর্ণনাটি অধিক বিশুদ্ধ ও অধিক বর্ণিত।


সহিহ বুখারী অঃ->কুরআন ও সুন্নাহ্‌কে দৃঢ়ভাবে ধারণ করা বাব->মতবিরোধ অপছন্দনীয় । হাঃ-৭৩৬৪

জুনদাব ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করতে থাক, যতক্ষণ এর প্রতি তোমাদের হৃদয়ের আকর্ষণ অব্যাহত থাকে। আর যখন তোমাদের মনে বিকর্ষণ দেখা দেয় তখন তাথেকে উঠে যাও। আবূ আব্‌দুল্লাহ্‌ (বুখারী) (রহঃ) বলেন, ‘আবদুর রহমান (রহঃ) সাল্লাম থেকে (হাদীসটি) শুনেছেন (সূত্রে) বর্ণিত হয়েছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৩)


সহিহ বুখারী অঃ->কুরআন ও সুন্নাহ্‌কে দৃঢ়ভাবে ধারণ করা বাব->মতবিরোধ অপছন্দনীয় । হাঃ-৭৩৬৫

জুনদাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ততক্ষন কুরআন তিলাওয়াত করতে থাক, যে পর্যন্ত এর প্রতি তোমাদের অন্তরের আকর্ষণ থাকে। আর যখন মনে বিকর্ষণ অনুভব কর, তখন তা থেকে উঠে যাও। ইয়াযীদ ইব্‌নু হারুন (রহঃ) জুনদাব (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এরকমই বর্ণিত হয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->কোরআনের মর্যাদাসমূহ ও এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় বাব->কুরআন তিলাওয়াত এবং সূ্রাহ্ আল বাক্বারাহ্ তিলাওয়াতের ফাযীলাত হাঃ-১৭৫৯

আবূ উসামাহ্ আল বাহিলী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা কুরআন পাঠ কর। কারন ক্বিয়ামাতের দিন তার পাঠকারীর জন্য সে শাফা’আতকারী হিসেবে আসবে। তোমরা দু’টি উজ্জল সূ্রাহ্ অর্থাৎ সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ এবং সূরাহ্ আল ইমরান পড়। ক্বিয়ামতের দিন এ দু’টি সুরাহ্ এমনভাবে আসবে যেন তা দু’ খণ্ড মেঘ অথবা দু’টি ছায়াদানকারী অথবা দু’ ঝাঁক উড়ন্ত পাখি যা তার পাঠকারীর পক্ষ হয়ে কথা বলবে। আর তোমরা সুরাহ্ আল বাক্বারাহ্ পাঠ কর। এ সুরাটিকে গ্রহণ করা বারাকাতের কাজ এবং পরিত্যাগ করা পরিতাপের কাজ। আর বাতিলের অনুসারীগণ এর মোকাবেলা করতে পারে না। হাদীসটির বর্ণনাকারী আবূ মু’আবিয়াহ্ বলেছেন- আমি জানতে পেরেছি যে, বাতিলের অনুসারী বলে যাদুকরদের বলা হয়েছে। (ই.ফা.১৭৪৪, ই.সে.১৭৫১)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) ও তাঁর মাতার ফযিলত হাঃ-৬২২৯

. মাসরূক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম। তখন আমরা ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)-এর একটি হাদীসের বর্ণনা করি। এমন সময় ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) বললেন, তিনি ঐ লোক যাকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একটি কথা শুনার পর হতে ভালবেসে আসছি। আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, তোমরা চার লোকের নিকট থেকে কুরআন শিক্ষা গ্রহণ কর। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ, তাঁর নামই প্রথমে বললেন এবং উবাই ইবনু কা‘ব, সালিম আবূ হুযাইফাহ্র ক্রীতদাস ও মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ)। যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ)–এর বর্ণনায় ………. শব্দটি উল্লেখ নেই। (ই. ফা. ৬১১২, ই. সে. ৬১৫৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->‘ইল্‌ম বাব->কুরআনের অস্পষ্ট আয়াতের অনুকরণ নিষিদ্ধ হওয়া ও এর অনুসারীদের হতে সতর্কতা অবলম্বন এবং কুরআনে বর্ণিত বিষয়ে মতভেদ নিষিদ্ধকরণ হাঃ-৬৬৭০

জুনদুব ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কুরআন পাঠ করতে থাকো যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের হৃদয়ে তার প্রতি আকর্ষণ থাকে। আর যখন তোমরা তাতে মতভেদ করবে তখন উঠে যাবে। (ই. ফা. ৬৫৩৫, ই. সে. ৬৫৮৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->‘ইল্‌ম বাব->কুরআনের অস্পষ্ট আয়াতের অনুকরণ নিষিদ্ধ হওয়া ও এর অনুসারীদের হতে সতর্কতা অবলম্বন এবং কুরআনে বর্ণিত বিষয়ে মতভেদ নিষিদ্ধকরণ হাঃ-৬৬৭১

জুনদুব ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের মনের মধ্যে আকর্ষণ থাকে ততক্ষণ কুরআন পাঠ করো। আর যখন (মন) বিকর্ষিত হয়ে পড়ে তখন উঠে যাবে। (ই. ফা. ৬৫৩৬, ই. সে. ৬৫৮৮)