আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জানাযার সালাতের জন্য এক আনসারী বালকের লাশ আনা হলো। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এর কি সৌভাগ্য সে কোন গুনাহ করেনি এবং তার বয়সও পায়নি। তিনি বললেন, হে ‘আয়িশাহ! এর বিপরীত কি হতে পারে না? মহান আল্লাহ জান্নাত ও তার অধিবাসীদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তা যখন তাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন, তখন তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে ছিল। আবার তিনি জাহান্নাম ও তার জন্য একদল ভুক্তভোগী সৃষ্টি করেছেন এবং তা তাদের জন্য যখন তিনি সৃষ্টি করেছেন তখন তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে ছিল।
উম্মুল মু’মিনীন আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আনসার সম্প্রদায়ের এক বালকের জানাযাহ পড়ার জন্য ডাকা হলো। আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! তার জন্য সুসংবাদ, সে জান্নাতের চড়ুই পাখিদের মধ্যে এক চড়ুই যে পাপ কাজ করেনি এবং তা তাকে স্পর্শও করেনি। তিনি বলেন, হে আয়িশাহ! এর ব্যতিক্রমও কি হতে পারে? নিশ্চয় আল্লাহ্ তা’আলা একদল লোককে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে অবচেতন থাকতেই তিনি তাদেরকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তিনি জাহান্নামের জন্যও একদল সৃষ্টি করেছেন। তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে অবচেতন থাকতেই তিনি তাদের জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছেন। [৮০]
উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে একটি আনসারী বালকের মৃতদেহ আনা হলে তিনি তার উপর জানাযার সালাত আদায় করলেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, জান্নাতের চড়ুই পাখীদের মধ্য হতে এ চড়ুই পাখীটি কতই ভাগ্যবান! সে কোন পাপ কাজ করেনি এবং পাপ তাকে স্পর্শ করেনি। তিনি বললেন, এর অন্যথাও হতে পারে হে আয়েশা (রাঃ)। আল্লাহ্ তা’আলা জান্নাত সৃষ্টি করেছেন এবং তার বাসিন্দা সৃষ্টি করেছেন। আর তাদের সৃষ্টি করেছেন স্বীয় পিতার ঔরসে এবং জাহান্নাম সৃষ্টি করেছেন আর তার বাসিন্দাও সৃষ্টি করেছেন। তাদের সৃষ্টি করেছেন স্বীয় পিতার ঔরসে।