আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৭৩৯, ই. সে. নেই)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও আবূ কুরায়ব, ‘উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইসহাক্ব ও ইবনু খশ্রাম (রহঃ) ….. সকলেই আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৪৬৭, ই.সে ১৪৭৬)
যুহায়র ইবনু হার্ব, ‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) আর সকলে জারীর হতে ও ‘আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ’মাশ (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪০৮৪, ই.সে. ৪০৮৩)
আবূ মু’আবিয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত সূত্রে অত্র হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৬৮৩, ই.সে. ৫৭১৪)
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ‘ঈসা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (বানিয়ে দাও) উল্লেখ আছে। আর আবূ হুরায়রা্-এর হাদীসে (আরবী) (পুরস্কার) কথাটি উল্লেখ রয়েছে এবং জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (বানিয়ে দাও রহ্মাত) কথাটির উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৬৩৮১, ই.সে. ৬৪৩১ [ক])
আ‘মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ‘মাশ (রাঃ) হতে এ সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪০৪, ই.সে. ৬৪৫৫)
আ‘মাশ (রহঃ)-এর সূ্ত্রে উক্ত সানাদ থেকে বর্নিতঃ
তবে তাদের সকলের বর্ণনাতেই রয়েছে যে, ‘বৃক্ষরাজি এক আঙ্গুলে এবং আর্দ্র মাটি এক আঙ্গুলে’। তবে জারীর-এর হাদীসে “সকল প্রকার সৃষ্টি এক আঙ্গুলে” কথাটি উল্লেখ নেই। অবশ্য তাঁর হাদীসে “পাহাড়সমূহ এক আঙ্গুলে” কথাটি রয়েছে। জারীর (রাঃ)-এর হাদীসে রয়েছে যে, তার কথায় অবাক হয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে সমর্থন করেন। (ই.ফা. ৬৭৯২, ই.সে. ৬৮৪৬)
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৬৬, ই.সে. ৭০২৪)
আ‘মাশ (রাযিঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আবূ মু‘আবিয়ার অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ‘ঈসা (রহঃ)-এর সানাদে শাকীক (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি হুযাইফাহ্ (রাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৭০০৫, ই.সে. ৭০৬২)