নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, ‘আব্দুর রহমান ইবনু ‘আওফ-এর স্ত্রী উম্মু হাবীবাহ্ বিনতু জাহ্শ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে তার রক্ত প্রদরের অসুবিধার কথা বলল। তিনি তাকে বললেনঃ তুমি তোমার মাসিক ঋতুর মেয়াদ পরিমাণ অপেক্ষা কর (অর্থাৎ) এ সময়ে সলাত আদায় করবেনা। এ সময় পার হলে তুমি গোসল করবে এবং সলাত আদায় করবে। তাই তিনি প্রতেক সলাতের সময়েই গোসল করতেন।৯০ (ই.ফা. ৬৫১, ই.সে. ৬৬৬)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা উম্মু হাবীবা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে রক্তস্রাব সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করেন। `আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি তাঁর পানির পাত্র রক্তে পরিপূর্ণ দেখতে পেলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “তুমি হায়িযের নির্ধারিত দিনগুলো পর্যন্ত সলাত থেকে বিরত থাকবে, এরপর গোসল করবে। সহীহঃ মুসলিম।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মে হাবীবা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে (ইস্তেহাযার) রক্ত প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করলেন। হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ আমি তাঁর টব রক্তে পূর্ণ দেখেছি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ তোমার হায়য যতদিন তোমাকে তোমার সালাত হতে বিরত রাখত, ততদিন বিরত থাক তারপর গোসল কর। কুতায়বা (রহঃ) থেকে অন্য হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তাতে তিনি জাফরের [১] নাম উল্লেখ করেননি।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ উম্মে হাবীবা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে রক্ত সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন, তখন আয়েশা (রাঃ) বললেনঃ আমি তার গামলাটি রক্তে পরিপূর্ণ দেখেছি। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ যতদিন তোমার হায়য তোমাকে বিরত রাখে, ততদিন তুমি বিরত থাক। তারপর তুমি গোসল করবে।