যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহরী (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তবে যুহরী (রহঃ)-এর সূত্রে ইয়াযীদ-এর বর্ণনা, যুহরীর থেকে সুফ্ইয়ান-এর বর্ণনার অনুরূপ। তিনি চারটি বৈশিষ্ট্য একত্রে উল্লেখ করেছেন। আর ‘আবদুর রায্যাক (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, (আরবী) (তোমরা একে অপরের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করবে না অথবা সম্পর্ক ছিন্ন করবে না কিংবা পশ্চাতে শত্রুতা করবে না)। (ই.ফা. ৬২৯৮, ই.সে. ৬৩৪৭)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ’মাশ (রহঃ) থেকে এ সানাদে বর্ণিত যে, তোমরা একে অপরের সাথে আত্মীয়তা সম্পর্কচ্ছেদ করো না, একে অপরের পেছনে দুশমনি করো না, পরস্পরে বিদ্বেষ পোষণ করো না, পরস্পরে হিংসা করো না। আর তোমরা আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই পরিণত হয়ে যাও, যেমন আল্লাহ তা’আলা তোমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। (ই.ফা. ৬৩০৭, ই.সে. ৬৩৫৬)
আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পর তিনি (আওসাত) আবূ বকর (রাঃ) থেকে বলতে শুনেন : গত বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার এই স্থানে দাঁড়ালেন, অতঃপর আবূ বকর (রাঃ) কেঁদে দিলেন, অতঃপর বললেনঃ অবশ্যই তোমরা সততা অবলম্বন করবে। কারণ তা পুণ্যের সাথী এবং এ দু’টির অবস্থান জান্নাতে। তোমরা অবশ্যই মিথ্যাকে পরিহার করবে। কারণ তা পাপাচারের সাথী এবং এ দু’টির অবস্থান জাহান্নামে। তোমরা আল্লাহর নিকট সুস্থতা ও নিরাপত্তা কামনা করো। কেননা ঈমানের পর কাউকে সুস্থতা ও নিরাপত্তার চেয়ে অধিক উত্তম কিছু দান করা হয়নি। তোমরা পরস্পর হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করো না, সম্পর্কচ্ছেদ করো না এবং পরস্পর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না। হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা ভাই ভাই হয়ে যাও। [৩১৮১]
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা একজন অন্যজনের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করো না, পরস্পরে শত্রুতা পোষণ করো না, পরস্পরকে ঘৃণা করো না, পরস্পর হিংসা করো না, বরং আল্লাহ্ তা‘আলার বান্দাহগণ! পরস্পর ভাই হয়ে থাকো। কোন মুসলমান ব্যক্তির পক্ষেই বৈধ নয় তার ভাইকে তিনদিনের অধিক সময় ধরে ত্যাগ করে থাকা। সহীহ ইরওয়া (৭/৯৩) , বুখারী, মুসলিম।