জামে' আত-তিরমিজি অঃ->পবিত্রতা বাব->ইস্তিহাযার রোগিণী প্রত্যেক নামাযের জন্য গোসল করবে হাঃ-১২৯

'আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহ্‌শ কন্যা উম্মু হাবীবা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ফাতোয়া জানতে চাইলেন। তিনি বললেন, আমি সর্বদা ইস্তিহাযার রোগে আক্রান্ত থাকি এবং কখনও পবিত্র হই না। আমি কি নামায ছেড়ে দেব? তিনি বললেনঃ "না, এটা একটি শিরার রক্ত; তুমি গোসল করে নামায আদায় করবে। " অতঃপর তিনি (উম্মু হাবীবা) প্রত্যেক নামাযের জন্য গোসল করতেন। সহীহ্‌। ইবনু মাজাহ- (৬২৬), বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->হায়যের পর গোসল হাঃ-২০৬

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উম্মে হাবীবা বিনত জাহ্শ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফতওয়া জিজ্ঞাসা করতে গিয়ে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি ইস্তেহাযায় আক্রান্ত। তিনি বললেনঃ এটা একটি শিরার রক্ত মাত্র। অতএব তুমি গোসল কর এবং সালাত আদায় কর। এরপর উম্মে হাবীবা প্রত্যেক সালাতের জন্য গোসল করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->হায়য ও ইস্তিহাযা বাব->ইস্তিহাযার বর্ণনাঃ রক্ত আরম্ভ হওয়া এবং তা বন্ধ হওয়া হাঃ-৩৪৯

উরওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কুরায়শ বংশের আসাদ গোত্রের ফাতিমা বিনত কায়স (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন যে, তার ইস্তিহাযা হয়। তিনি মনে করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এ একটি শিরা (শিরার রক্ত) বিশেষ। অতএব যখন হায়য আরম্ভ হবে তখন সালাত ছেড়ে দেবে। আর যখন তা বন্ধ হবে তখন গোসল করবে এবং তোমার ঐ রক্ত ধুয়ে ফেলবে। তারপর সালাত আদায় করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->হায়য ও ইস্তিহাযা বাব->ইস্তিহাযার বর্ণনাঃ রক্ত আরম্ভ হওয়া এবং তা বন্ধ হওয়া হাঃ-৩৫১

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উম্মে হাবীবা বিন্‌ত জাহ্‌শ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট ফতওয়া চাইলেন; ইয়া রাসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ইস্তিহাযা হয়। তিনি বললেন, এ একটি শিরা (শিরার রক্ত) বিশেষ। অতএব তুমি গোসল কর এবং সালাত আদায় কর। এরপর তিনি প্রত্যেক সালাতের জন্য গোসল করতেন।