সহিহ বুখারী অঃ->ইল্‌ম বাব->রাতে ইল্‌মের আলোচনা করা। হাঃ-১১৬

‘আব্দুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জীবনের শেষের দিকে আমাদের নিয়ে ‘ইশার সালাত আদায় করলেন। সালাম ফিরানোর পর তিনি দাঁড়িয়ে বললেনঃ তোমরা কি এ রাতের সম্পর্কে জান? বর্তমানে যারা পৃথিবীতে রয়েছে, একশ বছরের মাথায় তাদের কেউ আর অবশিষ্ট থাকবে না। (৫৬৪, ৬০১; মুসলিম ৪৪/৫৩, হাঃ ২৫৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১১৭)


সহিহ বুখারী অঃ->সালাতের ওয়াক্তসমূহ বাব->‘ইশা ও আতামাহ-এর বর্ণনা এবং যিনি এতে কোনো আপত্তি করেন না। হাঃ-৫৬৪

‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক রাতে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে ‘ইশার সালাত আদায় করেন, যে সালাতকে লোকেরা ‘আতামা’ বলে থাকে। অতঃপর তিনি ফিরে আমাদের দিকে মুখ করে বললেন, আজকের এ রাত সম্পর্কে তোমরা জান কি? এ রাত হতে নিয়ে একশ’ বছরের শেষ মাথায় আজ যারা ভূপৃষ্ঠে আছে তাদের কেউ অবশিষ্ট থাকবে না।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->যুদ্ধ-সংঘর্ষ বাব->ক্বিয়ামাত সংঘটিত হওয়া সম্পর্কে হাঃ-৪৩৪৮

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জীবনের শেষভাগে এক রাতে আমাদেরকে নিয়ে ‘ইশার সলাত আদায় করলেন। সালাম ফিরিয়ে তিনি দাঁড়িয়ে বললেনঃতোমরা আজকের এ রাতটি দেখতে পাচ্ছো তো? নিশ্চয়ই আজ হতে এক শতাব্দীর মাথায় বর্তমান পৃথিবীতে বসবাসরত কেউ জীবিত থাকবে না। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এই বক্তব্যে লোকদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হল ‘একশত বছর’ সংক্রান্ত যেসব হাদীস তারা বর্ণনা করেন তাকে কেন্দ্র করে। বস্তুত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যারা এখন পৃথিবীতে বেঁচে আছে তাদের কেউ শত বছর পর জীবিত থাকবে না। তিনি এ কথা দ্বারা বুঝাতে চেয়েছেন যে, এ শতাব্দী শেষ হবে (এবং নতুন শতাব্দী শুরু হবে)।