সহিহ বুখারী অঃ->আনসারগণের মর্যাদা বাব->আনসার গোত্রসমূহের মর্যাদা। হাঃ-৩৭৮৯

আবূ উসায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সবচেয়ে উত্তম গোত্র হল বানূ নাজ্জার, তারপর বানূ আবদুল আশহাল তারপর বানূ হারিস ইব্‌নু খাযরাজ তারপর বানূ সায়িদা এবং আনসারদের সকল গোত্রের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। এ শুনে সা’দ (রাঃ) বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি অন্যদেরকে আমাদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন? তখন তাকে বলা হল, তোমাদেরকে তো অনেক গোত্রের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। আবদুল ওয়ারিস (রহঃ)... আবূ উসাউদ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ রকমই বর্ণিত আছে। আর সা’দ ইব্‌নু ‘উবাদাহ (রাঃ) বলেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫০৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫১৫)


সহিহ বুখারী অঃ->আনসারগণের মর্যাদা বাব->আনসার গোত্রসমূহের মর্যাদা। হাঃ-৩৭৯০

আবূ উসায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আনসারদের মধ্যে বা আনসার গোত্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম গোত্র হল বানূ নাজ্জার, বানূ আবদুল আশহাল, বানূ হারিস ও বানূ সা’য়িদা। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫০৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫১৬)


সহিহ বুখারী অঃ->আনসারগণের মর্যাদা বাব->সা’দ ইব্‌নু ‘উবাদাহ (রাঃ) - এর মর্যাদা। হাঃ-৩৮০৭

আবূ উসাইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আনসার গোত্রগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠতম গোত্র হল, বানু নাজ্জার, তারপর বানু ‘আবদ-ই-আশহাল, তারপর বানু হারিস ইব্‌নু খাযরাজ তারপর বানু সায়িদাহ। আনসারদের সব গোত্রের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। তখন সা‘দ ইব্‌নু ‘উবাদাহ (রাঃ) যিনি ছিলেন প্রথম যুগের অন্যতম মুসলমান বললেন, আমার ধারণা যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অন্যদেরকে আমাদের উপর প্রাধান্য দিয়েছেন, তাঁকে বলা হল, আপনাদেরকে বহু গোত্রের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দেয়া হয়েছে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৩২)


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বাণীঃ আনসারদের গৃহগুলো উৎকৃষ্ট। হাঃ-৬০৫৩

আবূ উসাইদ সা‘ঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আনসারদের গৃহগুলোর মধ্যে নাজ্জার গোত্রের গৃহগুলোই উৎকৃষ্ট।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫১৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->ফযীলত বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মু‘জিযা প্রসঙ্গ হাঃ-৫৮৪৩

‘আমর ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উল্লেখিত সূত্রে আনসারদের প্রতিটি সম্প্রদায়ের কল্যাণ আছে’ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। তিনি পরবর্তী অংশ- সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ্ (রাঃ) সম্বন্ধে বর্ণনা উল্লেখ করেননি। তবে উহায়ব (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে বেশি উল্লেখ করেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার (ইবনুল ‘আলমা)-র জন্য তাদের জনপদগুলো লিখে দিলেন। উহায়ব (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদীসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও তার নিকট চিঠি লিখে প্রেরণ করলেন- উক্তিটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৫৭৫০, ই.সে. ৫৭৮১)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->আনসারগণের উত্তম গৃহসমূহ। হাঃ-৬৩১৮

ইব্রাহীম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু তালহাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ উসায়দ (রাঃ) কে ইবনু উতবার নিকট ভাষণ দিতে শুনেছি যে, তিনি বলেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন আনসারদের গৃহসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম গৃহ বানূ নাজ্জারের ঘর, বানূ আশহালের ঘর, বানূ হারিস ইবনু খাযরাজের ঘর এবং বানূ সা’ইদার ঘর। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি যদি আনসাদের উপরে কাউকে মর্যাদায় অগ্রাধিকার দিতাম তাহলে আমার কাওমকে অগ্রাধিকার দিতাম। (ই.ফা.৬১৯৬, ই.সে. ৬২৪২)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->আনসারগণের উত্তম গৃহসমূহ। হাঃ-৬৩১৯

আবূ উসায়দ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সালামাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন আনসারদের গৃহের মধ্যে সর্বোত্তম হচ্ছে বানূ নাজ্জারের ঘর, এরপর বানূ আব্দুল আশহালের ঘর এরপর বানূ হারিস ইবনু খাযরাজের ঘর এরপর বানূ সা’ইদার ঘর। তাছাড়া প্রত্যেক আনসারীর গৃহেই কল্যাণ বিরাজ করছে। আবূ সালামাহ (রহঃ) বলেন, আবূউসায়দ (রাঃ) বলেছেন আমি যদি মিথ্যাচার করতাম তাহলে আমি বংশ বানূ সা’ইদাহ দিয়ে আরম্ভ করতাম। তাতে আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর অপবাদকারীরূপে গণ্য হতাম। ব্যাপারটি সা’দ ইবনু উবাদাহ(রাঃ) এর কাছে পৌছলে তিনি অস্বস্তিবোধ করলেন এবং তিনি বললেন, আমাদের পেছনে দেয়া হয়েছে। অতএব আমরা চার জনের মধ্যে চতুর্থ (শেষ) স্থান পড়ে গেছি। আমার গাধার পৃষ্ঠে গদি লাগাও আমিরসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট চলে যাব। তাঁর সাথে তাঁর ভাইয়ের ছেলে সাহলের কথোপকথন হচ্ছিল। সে বলেছিল, আপনি কি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট প্রতিবাদ জানানোর জন্য যাবেন বরং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বাধিক জ্ঞাত? চার জনের মাঝে চতুর্থ হওয়া কি আপনার জন্য যথেষ্ট নয়? তখন তিনি থামলেন এবংবললেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূল সর্বাধিক জ্ঞাত। তারপর তিনি তার গাধার জিন খুলতে নির্দেশ দিলেন এবং তা খুলে ফেলা হলো। (ই.ফা.৬১৯৭, ই.সে. ৬২৪৩)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->আনসারদের কোন ঘর শ্রেষ্ঠ? হাঃ-৩৯১১

আবূ উসাইদ আস-সা’ঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আনসারদের ঘরগুলোর মাঝে ভাল হল বানু নাজ্জারের ঘরগুলো, তারপর বানু ‘আবদুল আশহালের ঘরগুলোর, তারপর ইবনুল হারিস ইবনুল খাযরাজ, তারপর বানু সা’ইদাহ্‌। আনসারদের প্রত্যেক পরিবারের মাঝেই মঙ্গল রয়েছে। সা’দ (রাঃ) বলেন, আমি দেখছি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের গোত্রের উপর অন্যান্য আনসার পরিবারকে মর্যাদা দিয়েছেন। সে সময় তাকে বলা হল, তিনি তোমাদেরকে তো অনেকের উপরই মর্যাদা দিয়েছেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->আনসারদের কোন ঘর শ্রেষ্ঠ? হাঃ-৩৯১৩

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আনসারদের মাঝে বানু ‘আবদুল আশহালই ভাল। এই হাদীসের পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ।