সহিহ বুখারী অঃ->তাহাজ্জুদ বাব->রাত জেগে ইবাদত করার গুরুত্ব। হাঃ-১১২১

সালিম (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবিতকালে কোন ব্যক্তি স্বপ্ন দেখলে তা আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে বর্ণনা করত। এতে আমার মনে আকাঙ্ক্ষা জাগলো যে, আমি কোন স্বপ্ন দেখলে তা আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করব। তখন আমি যুবক ছিলাম। আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়ে আমি মসজিদে ঘুমাতাম। আমি স্বপ্নে দেখলাম, যেন দু’জন ফেরেশ্‌তা আমাকে ধরে জাহান্নামের দিকে নিয়ে চলেছেন। তা যেন কুপের পাড় বাঁধানোর ন্যায় পাড় বাঁধানো। তাতে দু’টি খুঁটি রয়েছে এবং এর মধ্যে রয়েছে এমন কতক লোক, যাদের আমি চিনতে পারলাম। তখন আমি বলতে লাগলাম, আমি জাহান্নাম হতে আল্লাহ্‌র নিকট পানাহ চাই। তিনি বলেন, তখন অন্য একজন ফেরেশ্‌তা আমাদের সঙ্গে মিলিত হলেন। তিনি আমাকে বললেন, ভয় পেয়ো না।


সহিহ বুখারী অঃ->তাহাজ্জুদ বাব->রাত জেগে ইবাদত করার গুরুত্ব। হাঃ-১১২২

সালিম (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ

আমি এ স্বপ্ন (আমার বোন উম্মুল মু’মিনীন) হাফ্‌সা (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। অতঃপর হাফ্‌সা (রাঃ) তা আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করলেন। তখন তিনি বললেনঃ ‘আবদুল্লাহ্ কতই ভাল লোক! যদি রাত জেগে সে সালাত ( তাহাজ্জুদ) আদায় করত! তারপর হতে ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) খুব অল্প সময়ই ঘুমাতেন।


সহিহ বুখারী অঃ->সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ)-এর মর্যাদা। হাঃ-৩৭৩৯

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

তিনি তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করেন। তিনি বললেন, ‘আবদুল্লাহ খুব চমৎকার মানুষ। যদি সে রাতে সলাত আদায় করত। (তাঁর পুত্র) সালিম (রহঃ) বলেন, অতঃপর ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) রাতে খুব অল্প সময়ই ঘুমাতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫৭ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬৫ শেষাংশ)