আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পুরুষদের মধ্যে অনেকেই পূর্ণতা অর্জন করেছেন। কিন্তু মহিলাদের মধ্যে ফির‘আউনের স্ত্রী আসিয়া এবং ইমরানের কন্যা মারইয়াম ব্যতীত আর কেউ পূর্ণতা অর্জনে সক্ষম হয়নি। তবে ‘আয়িশার মর্যাদা সব মহিলার উপর এমন, যেমন সারীদের (গোশতের সুরুয়ায় ভিজা রুটির) মর্যাদা সকল প্রকার খাদ্যের উপর।
আবূ মূসা আল-আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সকল নারীর উপর ‘আয়িশার মর্যাদা এমন, যেমন সকল খাদ্যের উপর সারীদের মর্যাদা। পুরুষদের মধ্যে অনেকেই পূণাঙ্গতা অর্জন করেছেন। কিন্তু নারীদের মধ্যে ইমরানের কন্যা মারইয়াম এবং ফির’আউনের স্ত্রী আছিয়া ছাড়া কেউ পূর্ণাঙ্গতা অর্জন করতে পারেনি।
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পুরুষদের মধ্যে অনেকেই পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়েছে, কিন্তু নারীদের মধ্যে মারইয়াম বিনত ‘ইমরান ও ফিরাউনের স্ত্রী আসিয়া (রহঃ) ছাড়া অন্য কেউ তাদের মত পূর্ণতাপ্রাপ্ত হননি। আর ‘আয়িশা (রাঃ)-এর মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব অন্যান্য নারীদের উপর এমন যেমন সারীদ অর্থাৎ গোশ্ত এবং রুটি দ্বারা তৈরী খাদ্য বিশেষ এর মর্যাদা অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের উপর। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৮৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৯৫)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি বলতে শুনেছি, ‘আয়িশা (রাঃ)-এর মর্যাদা নারীদের উপর এমন যেমন সারীদের মর্যাদা অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের উপর। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৮৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৯৬)
আনাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সমস্ত খাদ্যের মধ্যে ‘সারীদের’ যেমন মর্যাদা আছে, তেমনি স্ত্রীলোকের মধ্যে ‘আয়িশা (রাঃ)-এর মর্যাদা আছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫০২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯২১)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, অন্যান্য মহিলাদের উপর ‘আয়িশার মর্যাদা সকল খাদ্যের উপর “সারীদের” শ্রেষ্ঠত্বের মতো। (ই.ফা. ৬০৮০, ই.সে. ৬১১৮)
আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ পুরুষদের মধ্যে অনেকেই পূর্ণতায় পৌঁছেছেন। কিন্তু মহিলাদের মধ্যে কেবল ইমরান কন্যা মরিয়ম এবং ফিরআওনের স্ত্রী আসিয়া এই পূর্ণতায় পৌঁছুতে পেরেছিলেন। আর নারী সমাজের উপর আয়িশাহর মর্যাদা তদ্রুপ, যেমন অন্যান্য খাদ্যের উপর সারীদের (ঝোলে ভিজানো রুটির) মর্যাদা। [৩২৮০]
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নারী সমাজের উপর আয়িশাহর এমন মর্যাদা রয়েছে যেমন অন্যান্য সকল প্রকারের খাদ্যের উপর রয়েছে সারীদের প্রাধান্য। [৩২৮১]
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পুরুষদের মধ্যে অনেক কামিল ব্যক্তি এসেছে। কিন্তু ইমরান-কন্যা মারইয়াম (আঃ) এবং ফির‘আউনের স্ত্রী আসিয়া (রাঃ)-এর মতো আর কোন কামিল লোক মহিলাদের মধ্যে আসেনি। অন্য সব খাবারের চাইতে সারীদের যেমন বেশি মর্যাদা (অগ্রাধিকার) রয়েছে, তেমনি মহিলাদের উপর আইশা (রাঃ)-এরও একইরকম মর্যাদা রয়েছে। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (৩২৮০), নাসাঈ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাবতীয় খাদ্যের উপর যেরূপ সারীদের (শোরবাতে ভেজানো রুটি) মর্যাদা, সকল স্ত্রীলোকের উপর তেমন 'আয়িশাহ্র মর্যাদা। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (৩২৮১), বুখারী ও মুসলিম।
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ অপরাপর খাদ্যের উপর গোশত-রুটি মিশ্রিত স্যুপের যেই প্রাধান্য, অন্য নারীদের উপর আয়েশারও সেই প্রাধান্য।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ অপরাপর খাদ্যের উপর গোশত-রুটি মিশ্রিত স্যুপের যেই প্রাধান্য, অন্য নারীদের উপর আয়েশারও সেই প্রাধান্য।