সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->একজন তথ্যানুসন্ধানী পাঠানো যায় কি? হাঃ-২৮৪৭

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের ডাক দিলেন। সদকা (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয়, এটি খন্দকের যুদ্ধের সময়ের ঘটনা। যুবাইর (রাঃ) তাঁর ডাকে সাড়া দিলেন। তিনি আবার লোকদের আহ্বান করলেন, এবারও যুবাইর (রাঃ) সাড়া দিলেন। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় লোকদের ডাক দিলেন। এবারও কেবল যুবাইর (রাঃ) সাড়া দিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘প্রত্যেক নবীর জন্য বিশেষ সাহায্যকারী থাকে। আমার বিশেষ সাহায্যকারী যুবাইর ইব্‌নু আওয়াম (রাঃ)।’


সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->নিঃসঙ্গ ভ্রমণ হাঃ-২৯৯৭

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খন্দকের যুদ্ধের দিন লোকদেরকে ডাক দিলেন। যুবাইর (রাঃ) সে ডাকে সাড়া দিলেন, পুনরায় তিনি লোকদেরকে ডাক দিলেন, আবারও যুবাইর (রাঃ) সে ডাকে সাড়া দিলেন। পুনরায় তিনি লোকদেরকে ডাকলেন, আবারও যুবাইর (রাঃ) সে ডাকে সাড়া দিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘প্রত্যেক নবীর জন্য একজন বিশেষ সাহায্যকারী থাকে আর আমার বিশেষ সাহায্যকারী হচ্ছে যুবাইর।’ সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, হাওয়ারী সাহায্যকারী কে বলা হয়।


সহিহ বুখারী অঃ->সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->যুবায়র ইব্‌নু আ’ওয়াম (রাঃ) এর মর্যাদা। হাঃ-৩৭১৯

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক নবীরই হাওয়ারী ছিলেন। আর আমার হাওয়ারী হলেন যুবায়র (রাঃ)।


সহিহ বুখারী অঃ->খবরে ওয়াহিদ বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একা যুবায়র (রাঃ)-কে শত্রুদের খবর নেয়ার জন্য পাঠিয়েছিলেন। হাঃ-৭২৬১

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, খন্দকের দিনে নবী লোকদের ডাকলেন। যুবায়র (রাঃ) তাতে সাড়া দিলেন। তিনি তাদেরকে আবার আহবান জানালেন, এবারও যুবায়র (রাঃ) সাড়া দিলেন। তিনি আবার তাদের আহবান জানালেন। এবারেও যুবায়র (রাঃ) সাড়া দিলেন। তিনবার। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ প্রত্যেক নবীর একজন হাওয়ারী (সাহায্যকারী) থাকে, আর যুবায়র হচ্ছে আমার হাওয়ারী। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, আমি এ হাদীসটি মুহাম্মদ ইব্‌নু মুনকাদির থেকে হিফয করেছি। একবার আইউব তাকে বললেন, হে আবূ বকর (রাঃ), আপনি জাবির (রাঃ)-এর হাদীস বর্ণনা করুন। কেননা, জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীস লোকদের খুবই চমৎকৃত করে। তখন তিনি সে মজলিসে বললেন, আমি জাবির (রাঃ) থেকে শুনেছি। এ বলে তিনি একে একে অনেক হাদীস বর্ণনা করলেন, যেগুলো আমিও জাবির (রাঃ) থেকে শুনেছি। আমি সুফিয়ানকে বললাম যে, সাওরী বলেছেন যে, সেটা ছিল বনূ কুরায়যার যুদ্ধের দিন। তিনি বললেন, তুমি যেভাবে আমার কাছে উপবিষ্ট, ঠিক তেমনি কাছে বসে আমি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির থেকে হিফ্‌য করেছি যে, সেটি ছিল খন্দকের দিন। সুফিয়ান বললেন, ওটা একই দিন। অতঃপর মুচকি হাসলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৬৫)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->আমার সাহায্যকারী আয্‌-যুবাইর ইবনুল ‘আও্‌ওয়াম (রাঃ) হাঃ-৩৭৪৪

আলী ইবনু আবী ত্বালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক নাবীরাই হাওয়ারী (নিষ্ঠাবান সাহায্যকারী) ছিলেন। আর আমার হাওয়ারী হল আয-যুবাইর ইবনুল 'আও্‌ওয়াম। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১২২)।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->আমার সাহায্যকারী আয্‌-যুবাইর ইবনুল ‘আও্‌ওয়াম (রাঃ) হাঃ-৩৭৪৪

আলী ইবনু আবী ত্বালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক নাবীরাই হাওয়ারী (নিষ্ঠাবান সাহায্যকারী) ছিলেন। আর আমার হাওয়ারী হল আয-যুবাইর ইবনুল 'আও্‌ওয়াম। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১২২)।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->আমার সাহায্যকারী আয্‌-যুবাইর ইবনুল ‘আও্‌ওয়াম (রাঃ) হাঃ-৩৭৪৪

আলী ইবনু আবী ত্বালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক নাবীরাই হাওয়ারী (নিষ্ঠাবান সাহায্যকারী) ছিলেন। আর আমার হাওয়ারী হল আয-যুবাইর ইবনুল 'আও্‌ওয়াম। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১২২)।