সহিহ বুখারী অঃ->সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->আবুল হাসান ‘আলী ইব্‌নু তালিব কুরাইশী হাশিমী (রাঃ)-এর মর্যাদা। হাঃ-৩৭০৬

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ)-কে বলেছিলেন, তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, যেভাবে হারূন (আঃ) মূসা (আঃ) –এর নিকট হতে মর্যাদা লাভ করেছিলেন তুমিও আমার নিকট সেই মর্যাদা লাভ কর। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৩১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৩৮)


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->তাবূক [৮৬]-এর যুদ্ধ-আর তা হল কষ্টকর যুদ্ধ হাঃ-৪৪১৬

মুস'আব ইবনু সা'দ তাঁর পিতা (আবূ ওয়াক্কাস) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাবূক যুদ্ধাভিযানে রওয়ানা হন। আর 'আলী (রাঃ)-কে স্বীয় স্থলাভিষিক্ত করেন। 'আলী (রাঃ) বলেন, আপনি কি আমাকে শিশু ও মহিলাদের মধ্যে ছেড়ে যাচ্ছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কি এ কথায় রাযী নও যে, তুমি আমার কাছে সে মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হারূন যে মর্যাদায় মূসার কাছে অধিষ্ঠিত ছিলেন। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে [হারূন (আঃ) নবী ছিলেন আর] আমার পরে কোন নবী নেই। [৩৭০৬; মুসলিম ৪৪/৪, হাঃ ২৪০৪] আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, শু'বাহ (রহঃ) আমাকে হাকাম (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন; আমি মুসআব (রহঃ) থেকে শুনেছি। (আ.প্র. ৪০৬৮, ই.ফা. ৪০৭১)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->‘আলী ইবনু আবু তালিব (রাঃ)-এর ফযিলত হাঃ-৬১১১

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ)-কে বলেছেন: তুমি আমার কাছে তেমন যেমন মূসা (আঃ)-এর কাছে হারূন। তবে আমার পর আর কোন নবী আসবেন না। সা’ঈদ (রহঃ) বলেন, আমি মনে করলাম যে, হাদীসটি প্রত্যক্ষভাবে সা’দ (রাঃ) হতে শ্রবণ করি। অতএব আমি সা’দের সঙ্গে একত্রিত হলাম এবং ‘আমির আমাকে যা বলেছে আমি তাকে বললাম। তিনি বলেলেন, আমি একথা শুনেছি। আমি বললাম, আপনি কি এ কথা শুনেছেন? তিনি দু’কানে দু’টো আঙ্গুল ঢুকিয়ে বললেন, হ্যাঁ শুনেছি, না শুনে থাকলে এ কান দু’টো বধির হয়ে যাবে। (ই.ফা. ৫৯৯৯, ই.সে. ৬০৪০)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->‘আলী ইবনু আবু তালিব (রাঃ)-এর ফযিলত হাঃ-৬১১৫

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ)-কে বললেনঃতুমি কি এতে খুশী নও যে, তোমার সম্মান আমার নিকট মূসা (আঃ)-এর নিকট হারূন-এর ন্যায়। (ই.ফা. ৬০০৩, ই.সে. ৬০৪২)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ভূমিকা বাব->আলী বিন আবী তালিব (রাঃ)-এর সম্মান হাঃ-১১৫

সা’দ বিন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলী (রাঃ)-কে বলেন, তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, আমার নিকট তুমি এরুপ স্থানের অধিকারী মূসা (আঃ)-এর নিকট হারুন (আঃ)-এর স্থান (মর্যাদা)? [১১৩]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->মুনাফিক্বরা ‘আলী (রাঃ)-এর প্রতি বিদ্বেষী হাঃ-৩৭২৯

আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু হিন্দ আল-জামালী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আলী (রাঃ) বলেছেনঃ আমি যখনই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের) নিকট কিছু চেয়েছি তখনই তিনি আমাকে দিয়েছেন এবং যখন নিশ্চুপ থেকেছি তখনও আমাকেই প্রথম দিয়েছেন। হাদীসটি ৩৭২২ নং হাদীসেও বর্ণনা করা হয়েছে।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->মুনাফিক্বরা ‘আলী (রাঃ)-এর প্রতি বিদ্বেষী হাঃ-৩৭৩১

সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্‌কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলী (রাঃ)-কে বললেনঃ আমার কাছে তুমি মর্যাদায় মুসা (‘আঃ)-এর ক্ষেত্রে হারুন স্থানীয়। তবে আমার পরে নবী নেই। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১২১), বুখারী ও মুসলিম।