সহিহ বুখারী অঃ->ঈমান বাব->‘আমলের দিক থেকে ঈমানদারদের শ্রেষ্ঠত্বের স্তরসমূহ । হাঃ-২৩

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একবার আমি নিদ্রাবস্থায় (স্বপ্নে) দেখলাম যে, লোকদেরকে আমার সামনে আনা হচ্ছে। আর তাদের পরণে রয়েছে জামা। কারো জামা বুক পর্যন্ত আর কারো জামা এর নীচ পর্যন্ত। আর ‘উমার ইব্‌নুল খাত্তাব (রাঃ)-কে আমার সামনে আনা হল এমন অবস্থায় যে, তিনি তাঁর জামা (অধিক লম্বা হওয়ায়) টেনে ধরে নিয়ে যাচ্ছিলেন। সাহাবীগণ আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি এর কী তা’বীর করেছেন? তিনি বললেনঃ (এ জামা অর্থ) দ্বীন। (৩৬৯১, ৭০০৮, ৭০০৯; মুসলিম ৪৪/২ হাঃ ২৩৯০, আহমাদ ১১৮১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২২)


সহিহ বুখারী অঃ->সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->৬২/৬. অধ্যায়ঃ হাঃ-৩৬৯১

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে বলতে শুনেছি যে, একদা আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। দেখতে পেলাম, অনেক লোককে আমার সামনে উপস্থিত করা হল। তাদের গায়ে জামা ছিল। কারো কারো জামা এত ছোট ছিল যে, কোন ভাবে বুক পর্যন্ত পৌঁছেছে। আর কারো জামা এত্থেকেও ছোট ছিল। আর ‘উমার (রাঃ) –কেও আমার সামনে পেশ করা হলো। তাঁর শরীরে এত লম্বা জামা ছিল যে, সে জামাটি হেচঁড়িয়ে চলছিল। সাহাবায়ে কেরাম বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি এ স্বপ্নের কি তাবীর করলেন। তিনি বললেন, দীনদারী। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪১৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪২৩)


সহিহ বুখারী অঃ->স্বপ্নের ব্যখ্যা প্রদান বাব->স্বপ্নের মধ্যে জামা দেখা । হাঃ-৭০০৮

আবূ সা‘ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি একবার ঘুমিয়েছিলাম। একদল লোককে স্বপ্নে দেখলাম, তাদেরকে আমার কাছে আনা হচ্ছে। তাদের গায়ে ছিল জামা। কারো কারো জামা স্তন পর্যন্ত, আর কারো কারো তার নিচ পর্যন্ত।‘উমর ইব্‌নু খাত্তাব আমার নিকট দিয়ে গেল। তার গায়ের জামা মাটিতে হেঁচড়ে চলছিল। সহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি কী ব্যাখ্যা দিলেন। তিনি বললেনঃ দ্বীন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৩৬)


সহিহ বুখারী অঃ->স্বপ্নের ব্যখ্যা প্রদান বাব->স্বপ্নের মধ্যে জামা হেঁচড়িয়ে চলতে দেখা । হাঃ-৭০০৯

আবূ সা‘ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ আমি একসময় ঘুমিয়ে ছিলাম। আমি দেখলাম, আমার কাছে একদল লোককে আনা হল, তাদের গায়ে ছিল জামা। কারো কারো জামা স্তন পযন্ত। আর কারো কারো এর নিচ পর্যন্ত। আর ‘উমার ইব্‌নু খাত্তাবকে এমন অবস্থায় আমার কাছে আনা হল যে, সে তার গায়ের জামা হেঁচড়িয়ে চলছিল। সাহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি এর কী ব্যাখ্যা দিলেন। তিনি বললেনঃ দ্বীন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৩৭)


সুনান নাসাঈ অঃ->ঈমান এবং এর বিধানাবলী বাব->ঈমান বৃদ্ধি পাওয়া হাঃ-৫০১১

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি নিদ্রিত অবস্থায় দেখলাম, কোন কোন লোককে আমার নিকট উপস্থিত করা হচ্ছে এবং তারা সকলেই জামা পরিহিত। কারো জামা বুক পর্যন্ত, আর কারো তা অপেক্ষা নীচে। এরপর আমার নিকট উমর ইব্‌ন খাত্তাবকে আনা হল আর তার গায়ে এমন একটা জামা, যা সে মাটিতে হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তারা বললোঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! আপনি এর কি ব্যাখ্যা করলেন? তিনি বললেনঃ দীন।