সহিহ মুসলিম অঃ->ওয়াসিয়্যাত বাব->এক তৃতীয়াংশের ওয়াসিয়্যাত হাঃ-৪১০০

আবূ তাহির ও হারমালাহ্‌, 'আবদুল মালিক ইবনু শু’আয়ব, ইবনু লায়স, ইবনু আবূ 'উমার 'আব্‌দ ইবনু 'উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সকলেই যুহরী (রহঃ) সূত্রে উক্ত সানাদে 'আম্‌র ইবনু হারিস এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪০৬২, ই. সে. ৪০৬১)


সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->আল্লাহ তা’আলা ছাড়া অন্য কারো কসম করার নিষেধাজ্ঞা হাঃ-৪১৪৭

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

'উকায়ল (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে আছে যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে এ থেকে নিষেধ করতে শুনার পর থেকে সে নামে আর শপথ করিনি। আর ঐ নামের কসমের উচ্চারণও করিনি। তবে তিনি “নিজের পক্ষ থেকে এবং অপরের উদ্ধৃতি দিয়েও” কথাটি উল্লেখ্ করেননি। (ই.ফা. ৪১০৯, ই.সে. ৪১০৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাম বাব->অশুভ লক্ষণ, সুলক্ষণ ও সম্ভব্য অপয়া বিষয়বস্তুর বিবরণ হাঃ-৫৬৯২

যুহ্‌রী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল মালিক ইবনু শু’আয়ব ইবনু লায়স, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুর রহ্‌মান দারিমী (রহঃ) যুহ্‌রী (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে বর্ণনাকারী ‘উকায়ল(রহঃ) -এর হাদীস আছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত’। তিনি ‘আমি শুনেছি’ বলেন নি। আর রাবী শু‘আয়ব (রহঃ) তাঁর হাদীসে বলেছেন, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি’ , যেমন মা’মার (রহঃ) বলেছেন। (ই.ফা. ৫৬০৫, ই.সে. ৫৬৩৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->ফযীলত বাব->রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সম্মান প্রদর্শন করা এবং অকারণে বেশি প্রশ্ন করা বা কষ্ট দেয়া ও অবাঞ্চিত ইত্যাদি বিষয় থেকে বিরত থাকা হাঃ-৬০১৬

আনাস (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। ‘উবাইদুল্লাহ হাদীসটিও এর সাথে রয়েছে, তবে শু’আয়ব যুহরীর সূত্রে তিনি ‘আবদুল্লাহ থেকে, তিনি জনৈক আহলে ‘ইল্‌ম থেকে শুনেছেন- ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফার মা ইউনুসের হাদীসের অনুরূপ বলেছেন। (ই.ফা. ৫৯১০, ই.সে. ৫৯৪৮)