আবূ ইসহাক্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উত্বাহ্ (রাঃ)-এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন মানুষেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বয়স নিয়ে আলোচনায় লিপ্ত হল। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বলল, আবূ বকর (রাঃ) (বয়সে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তুলনায় বড় ছিলেন। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকাল হয় তখন তাঁর বয়স হয়েছিল তেষট্টি বছর। আর আবূ বকর (রাঃ)-এর যখন ওফাত হয়, তখন তাঁর বয়সও তেষট্টি বছর হয়েছিল। আর ‘উমার (রাঃ) শাহাদাত বরণ করেন তখন তাঁর বয়স হয়েছিল তেষট্টি বছর। বর্ণনাকারী বলেন, লোকদের মাঝে ‘আম্র ইবনু সা‘দ নামধারী একজন বলল, জারীর আমাকে বলেছেন যে, আমরা মু‘আবিয়াহ্ (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম। মানুষেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বয়সের বর্ণনা করল। সে সময় মু‘আবিয়াহ্ (রাঃ) বললেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকাল হয় তখন তাঁর বয়স ছিল তেষট্টি বছর। আর যখন আবূ বকর (রাঃ) ইন্তিকাল করেন তখন তাঁর বয়স ছিল তেষট্টি বছর এবং ‘উমার (রাঃ) শাহাদাতপ্রাপ্ত হন তখন তাঁর বয়সও তেষট্টি বছর ছিল। (ই.ফা. ৫৮৮৮, ই.সে. ৫৯২৪)
জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ আল-বাজালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মু‘আবিয়াহ্ ইবনু আবী সুফ্ইয়ান (রাঃ)-কে খুত্বাহ্ দানকালে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তেষট্টি বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন এবং আবূ বাক্র ও ‘উমার (রাঃ)-ও। আর এখন আমার বয়সও তেষট্টি বছর। সহীহঃ মুখতাসার শামায়িল (৩১৮), মুসলিম।