সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->ফাজরের সলাতের পর বসে থাকার এবং মসজিদসমূহের ফাযীলত হাঃ-১৪১১

সিমাক ইবনু হার্‌ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,আমি জাবির ইবনু সামুরাহ্‌-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি (ফাজ্‌রের সলাতের পর) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে বসতেন? জবাবে তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, অনেক দিন বসেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদের যে জায়গায় ফাজ্‌রের সলাত (অথবা বলেছেন ভোরের সলাত) আদায় করতেন সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে থেকে উঠতেন না। সূর্য উদিত হওয়ার পর তিনি সেখান থেকে উঠতেন। লোকজন তখন জাহিলী যুগের ঘটনাবলী সম্পর্কে আলোচনা করত। এসব ঘটনা আলোচনা করতে গিয়ে লোকজন হাসত আর তা দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসতেন। (ই.ফা. ১৩৯৭, ই.সে. ১৪০৯)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->নফল সালাত বাব->সালাতুদ্- দুহা (চাশতের সলাত) হাঃ-১২৯৪

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহচর্যে থাকতেন? তিনি বলেন, হাঁ, অধিক সময় তার সাহচর্যে ছিলাম। তিনি সূর্যোদায় পর্যন্ত ঐ স্থানেই বসে থাকতেন সেখানে তিনি ফজরের সলাত আদায় করেছেন। অতঃপর সূর্যোদয় হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে যেতেন। সহীহ: মুসলিম


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাম ফিরানোর পর ইমামের তাঁর সালাতের স্থানে বসে থাকা হাঃ-১৩৫৮

সিমাক ইব্‌ন হার্‌ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জাবির ইব্‌ন সামুরা (রাঃ)-কে বললাম, আপনি তো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে উঠা-বসা করে থাকতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ; যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত আদায় করতেন, তাঁর সালাতের স্থানে সূর্যোদয় পর্যন্ত বসে থাকতেন। তখন তাঁর সাহাবীগণের সঙ্গে কথাবার্তা বলতেন, তাঁরা জাহিলী যুগের ঘটনাসমুহের আলোচনা করতেন, কবিতা আবৃত্তি করতেন এবং হাসা-হাসিও করতেন, আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসতেন।