সহিহ বুখারী অঃ->জানাযা বাব->শহীদের জন্য জানাযার সালাত। হাঃ-১৩৪৪

‘উক্‌বা ইব্‌নু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা বের হলেন এবং উহুদে পৌঁছে মৃতের জন্য যেরূপ (জানাযার) সালাত আদায় করা হয় উহুদের শহীদানের জন্য অনুরূপ সালাত আদায় করলেন। অতঃপর ফিরে এসে মিম্বারে তাশরীফ রেখে বললেনঃ আমি হবো তোমাদের জন্য অগ্রে প্রেরিত এবং তোমাদের জন্য সাক্ষী। আল্লাহর কসম! এ মুহূর্তে আমি অবশ্যই আমার হাউয (হাউয-ই-কাউসার) দেখছি। আর অবশ্যই আমাকে পৃথিবীর ভান্ডারসমূহের চাবিগুচ্ছ প্রদান করা হয়েছে। অথবা (বর্ণনাকারী বলেছেন) পৃথিবীর চাবিগুচ্ছ [২৫] আর আল্লাহর কসম! তোমরা আমার পরে শির্‌ক করবে এ আশঙ্কা আমি করি না। তবে তোমাদের ব্যাপারে আমার আশঙ্কা যে, তোমরা পার্থিব সম্পদ লাভে প্রতিযোগীতায় লিপ্ত হবে।


সহিহ বুখারী অঃ->মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বাব->ইসলামে নবুওয়াতের নিদর্শনাবলী। হাঃ-৩৫৯৬

‘উকবাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে মৃত ব্যক্তির সালাতে জানাযার মত উহুদ যুদ্ধে শহীদ সাহাবাগণের কবরের পার্শ্বে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন। অতঃপর ফিরে এসে মিম্বারে উঠে বললেন, আমি তোমাদের জন্য অগ্রগামী ব্যক্তি, আমি তোমাদের হয়ে আল্লাহ্‌র দরবারে সাক্ষ্য দিব। আল্লাহ্‌র কসম, আমি এখানে বসে থেকেই আমার হাউযে কাওসার দেখতে পাচ্ছি। পৃথিবীর ধন-ভাণ্ডারের চাবি আমার হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। আল্লাহ্‌র কসম! আমার মৃত্যুর পর তোমরা মুশরিক হয়ে যাবে এ আশঙ্কা আমি করি না। তবে আমি তোমাদের ব্যাপারে এ আশঙ্কা করি যে, দুনিয়ার ধন-সম্পদের মোহে তোমরা আত্নকলহে লিপ্ত হয়ে পড়বে।


সহিহ বুখারী অঃ->কোমল হওয়া বাব->দুনিয়ার শোভা ও তার প্রতি আসক্তি থেকে সতর্কতা হাঃ-৬৪২৬

উক্‌বাহ ইব্‌নু আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, একদিন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন এবং উহুদের শহীদদের জন্য সলাত আদায় করলেন, যেমন তিনি মৃতদের জন্য সলাত আদায় করতেন। তারপর মিম্বরে ফিরে এসে বললেনঃ আমি তোমাদের অগ্রবর্তী। আমি তোমাদের সাক্ষী হব। আল্লাহ্‌র কসম! নিশ্চয়ই আমি এখন আমার ‘হাওয্‌’কে দেখছি। আমাকে তো দুনিয়ার ধনাগারের চাবিসমূহ অথবা দুনিয়ার চাবিসমূহ দেয়া হয়েছে। আল্লাহ্‌র কসম! আমি তোমাদের ব্যাপারে এ আশংকা করছি না যে, তোমরা আমার পরে শির্কে লিপ্ত হবে, তবে আমি আশংকা করছি যে, তোমরা দুনিয়ার সম্পদ লাভের জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৭৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৮৩)


সহিহ বুখারী অঃ->কোমল হওয়া বাব->হাউয [৫০] আল্লাহ্‌র বাণী : আমি তোমাকে অশেষ কল্যাণ দান করেছি (যার মধ্যে) ‘কাওসার’ও অন্তর্ভুক্ত । ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) বর্ণনা করেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : তোমরা হাউযের কাছে আমার সঙ্গে মিলিত হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করবে । হাঃ-৬৫৯০

উকবা ইব্‌নু আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন বের হলেন এবং সলাতে জানাযার অনুরূপ ওহুদ যুদ্ধে শহীদদের প্রতি সলাত আদায় করলেন। এরপর তিনি মিম্বরে ফিরে এসে বললেনঃ নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য হাউযের ধারে আগে পৌঁছব। নিশ্চয়ই আমি তোমাদের (‘আমালের) সাক্ষী হব। আল্লাহ্‌র কসম! নিশ্চয়ই আমি এ মুহূর্তে আমার হাউয দেখতে পাচ্ছি। নিশ্চয়ই আমাকে বিশ্ব ধন ভান্ডারের চাবি দেয়া হয়েছে। অথবা (বলেছেন) বিশ্বের কুঞ্জি। আল্লাহ্‌র কসম! আমার ইন্তিকালের পর তোমরা শিরকে লিপ্ত হবে এ ভয় আমি করি না; তবে তোমাদের ব্যাপারে আমার আশঙ্কা হয় যে, দুনিয়া অর্জনের উদ্দেশ্যে তোমরা পরস্পরে প্রতিযোগিতা করবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৩৯)


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->শহীদের জানাযার সালাত হাঃ-১৯৫৪

উকবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন বের হয়ে উহুদের শহীদের উপর জানাযার সালাত আদায় করলেন যেরূপ মৃতদের উপর আদায় করা হয়। পড়ে মিম্বরে ফিরে এসে বললেন, ‘তোমাদের আমি অগ্রগামী দল স্বরূপ পাঠাচ্ছি। আর আমি তোমাদের জন্য সাক্ষী হয়ে রইলাম।‘