সহিহ বুখারী অঃ->গোসল বাব->জুনুবী উযূ করে নিদ্রা যাবে। হাঃ-২৮৮

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জানাবাতের অবস্থায় ঘুমাতে ইচ্ছা করতেন তখন তিনি লজ্জাস্থান ধুয়ে সালাতের উযূর মত উযূ করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->পানাহার করতে চাইলে জুনুব ব্যক্তির জন্য উযূ করা হাঃ-২৫৫

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানাবাত অবস্থায় যখন আহার করতে অথবা নিদ্রা যেতে ইচ্ছা করতেন তখন তিনি উযূ করতেন। আমর তাঁর বর্ণনায় বলেছেন, সালাতের উযূর মত উযূ।


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->নিদ্রার ইচ্ছা করলে জুনুব ব্যক্তির উযূ করা হাঃ-২৫৮

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানাবাত অবস্থায় নিদ্রার ইচ্ছা করলে নিদ্রা যাওয়ার পূর্বে সালাতের উযূর ন্যায় উযূ করতেন।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->পবিত্রতা অর্জন বাব->অপবিত্র অবস্থায় পানাহার প্রসঙ্গে হাঃ-২২২

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অপবিত্র অবস্থায় ঘুমানোর ইচ্ছা করলে সালাতের উযুর ন্যায় উযু করে নিতেন। সহীহঃ মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ বাব->যে ব্যক্তি বলে, নাপাক ব্যক্তি সলাতের ওজুর ন্যায় ওজু করা ব্যতীত ঘুমাবে না হাঃ-৫৮৪

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অপবিত্র হওয়ার পর ঘুমানোর ইচ্ছা করলে তার পূর্বে সলাতের ওজুর ন্যায় ওজু করে নিতেন। [৫৮১]