’উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৪৬৩, ই.সে ১৪৭২)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২০৯৭, ই.সে. ২১০১)
শু‘বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২০৯৯, ই.সে. ২১০৩)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩২৪৪, ই.সে. ৩২৪১)
‘উবাইদুল্লাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.৩৬১২, ই.সে.৩৬১২)
‘উবাইদুল্লাহর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উক্ত হাদীস বর্ণনা করেন এবং বলেন, তা অনুমান করে নিবে। (ই.ফা. ৩৭৪১, ই.সে. ৩৭৪১)
কাতাদাহ (রহঃ)- এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
কাতাদাহ (রহঃ)- এর সূত্রে এ সানাদে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪০৩০, ই.সে. ৪০২৯)
‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ) থেকে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৪১১, ই.সে. ৪৪১১)
‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। (ই.ফা. ৪৮৭৩, ই.সে. ৪৮৭৪)
শু‘বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৫১৮৪, ই.সে. ৫১৯৬)
ইয়াহিইয়া ইবনু সা’ঈদ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদেই রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৬০১৮, ই.সে. ৬০৫৬)