সহিহ মুসলিম অঃ->হায়িয (ঋতুস্রাব) বাব->অপবিত্রতার গোসলের বিবরণ হাঃ-৬১০

মুহাম্মাদ ইবনু সাব্বাহ্, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, আবূ কুরায়ব, আল আশাজ্জ ও ইসহাক্ প্রত্যেকেই ওয়াকী’ হতে এবং ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আবূ কুরায়ব আবূ মু‘আবিয়াহ্ হতে উভয়ে আ‘মাশ থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদের হাদীসটি বর্ণনা করেন। তবে তাদের উভয়ের হাদীসে তিন আঁজলা পানি মাথায় ঢেলে দেয়ার কথা নেই। আর ওয়াকী‘-এর হাদীসে ওযূর পূর্ণ বর্ণনা দেয়া হয়েছে। অতঃপর তিনি কুলি করা এবং নাকে পানি দেয়ার কথা তার হাদীসে বর্ণনা করেছেন। আবূ মু‘আবিয়ার হাদীসে রুমালের কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৬১৪, ই.সে. ৬২৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->আযানের ফাযীলাত এবং আযান শুনে শাইতানের পলায়ন হাঃ-৭৪১

আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৭৩৯, ই. সে. নেই)


সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->সলাতে ধীরে-সুস্থে আসা উত্তম এবং দৌঁড়িয়ে আসা নিষেধ হাঃ-১২৫১

শায়বান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১২৩৯ ই.সে. ১২৫১)


সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->নিজে যা খাবে ও পরিধান করবে দাস-দাসীকেও তা খেতে পরতে দেয়া এবং তাদের সাধ্যের বাইরে কাজের ভার না দেয়া হাঃ-৪২০৬

আহমাদ ইবনু ইউনুস, আবূ কুরায়ব ও ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ)….. সকলেই আ’মাশ (রহঃ)….. থেকে এ একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

উল্লেখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি যুহায়র ও আবূ মু’আবিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, হাদীসে “তোমার মধ্যে জাহিলী যুগের কর্মকাণ্ড বিদ্যমান’’ এ কথার পর কিছু বাড়িয়ে যোগ করেছেন। তিনি বলেন, আমি বললাম, তা কি আমার বয়োবৃদ্ধে হবে? তিনি বলেন, হ্যাঁ। আর আবূ মু’আবিয়াহ্র বর্ণনায় আছে, হ্যাঁ, তোমার বয়োবৃদ্ধকালে। আর ‘ঈসাঃ (রহঃ)- এর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, যদি তুমি তাকে সাধ্যের বাইরে কোন কাজ করতে দাও, যা সে করতে অক্ষম, তবে তাকে বিক্রি করে দাও। আর যুহায়র (রহঃ)-এর হাদীসে আছে “অতএব তুমি তাকে তখন সাঃহায্যও করবে।” আবূ মু’আবিয়াহ্ (রাঃ)- এর হাদীসে “তুমি তাকে বিক্রি করে দাও” অথবা “সাহায্য কর” কোন কথার উল্লেখ নেই। “তুমি তাকে এমন কাজের ভার চাপিয়ে দিও না, যা করতে সে অক্ষম” এ কথা দ্বারাই হাদীস শেষ হয়েছে। (ই.ফা. ৪১৬৮, ই.সে. ৪১৬৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->শিকার ও যবেহকৃত জন্তু এবং যেসব পশুর গোশত খাওয়া হালাল বাব->ঘোড়ার গোশ্‌ত আহার করা হাঃ-৪৯২০

হিশাম (রহঃ) হতে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

(অনুরূপ) হাদীস বর্ণিত। (ই.ফা. ৪৮৬৯, ই.সে. ৪৮৭০)


সহিহ মুসলিম অঃ->পোশাক ও সাজসজ্জা বাব->পরচুল সংযোজনকারিণী, সংযোজন প্রার্থিনী, মানবদেহে চিত্র অঙ্কনাকরিণী, চিত্র অঙ্কন প্রার্থিনী, ভুরুর পশম উৎপাটনকারিণী ও উৎপাটন প্রার্থিনী, দাঁতের মাঝে দর্শনীয় ফাঁকে সুষমা তৈরিকারিণী ও আল্লাহর সৃষ্টিতে বিকৃতি সাধন কারিণীদের ক্রিয়াকলাপ অবৈধ হাঃ-৫৪৫৯

হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোল্লিখিত সূত্রে আবূ মু‘আবিয়াহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া রাবী ওয়াকী’ (রহঃ) ও রাবী শু‘বাহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে ...... শব্দের স্থলে ..... শব্দ আছে। (উভয় শব্দের অর্থ চুল ঝরে গেছে)। (ই.ফা. ৫৩৮৩, ই.সে. ৫৪০৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->সদ্ব্যবহার, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা ও শিষ্টাচার বাব->মু’মিন ব্যক্তি কোন রোগ, দুশ্চিন্তা ইত্যাদিতে পতিত হলে এমনকি তার গায়ে কাঁটাবিদ্ধ হওয়াও তার সাওয়াব হাঃ-৬৪৫৮

আবূ কুরায়ব (রহঃ) হিশাম-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

আবূ কুরায়ব (রহঃ) হিশাম-এর সূত্রে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৩০, ই.সে. ৬৩৭৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->সদ্ব্যবহার, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা ও শিষ্টাচার বাব->যাদের উপর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অভিসম্পাত করেছেন, তিরস্কার করেছেন অথবা বদদু‘আ করেছেন; অথচ তারা এর যোগ্য নয় তাদের জন্য তা হবে পবিত্রতা, পুরস্কার ও রহ্‌মাত স্বরূপ হাঃ-৬৫০৯

আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আ’মাশ (রাঃ) থেকে এ সানাদে জারীর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি ঈসা (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে বলেন, এরপর তারা তাঁর সঙ্গে একান্তে মিলিত হলেন, তখন তিনি তাদের উভয়কে তিরস্কার করলেন এবং তাদেরকে লা’নাত দিয়ে বের করে দিলেন। (ই.ফা. ৬৩৭৮, ই.সে. ৬৪২৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->যিক্‌র, দু’আ, তওবা ও ইস্‌তিগফার বাব->(আল্লাহর কাছে) ফিত্‌নাহ্‌ ইত্যাদির অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা হাঃ-৬৭৬৫

হিশাম (রহঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণিত। (ই.ফা. ৬৬২৫, ই.সে. ৬৬৮০)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিয়ামত, জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা বাব->শাইতানের উস্কিয়ে দেয়া, মানুষের মাঝে ফিত্নাহ্ সৃষ্টি করার উদ্দেশে শাইতান কর্তৃক সেনাদল পাঠানো এবং প্রতিটি মানুষের সঙ্গে একজন সাথী রয়েছে হাঃ-৬৯৯৭

আ‘মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৪৪, ই.সে. ৬৯০০)


সহিহ মুসলিম অঃ->তাফসীর বাব->মহান আল্লাহর বাণী : “যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহর স্মরণে তাদের হৃদয় ভক্তিতে বিগলিত হওয়ার সময় কি আসেনি” হাঃ-৭৪২৫

হিশাম (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭২৫৪, ই.সে. ৭৩০৯)