উক্ত সানাদের হাদীসটি বর্ণনা করেন। তবে তাদের উভয়ের হাদীসে তিন আঁজলা পানি মাথায় ঢেলে দেয়ার কথা নেই। আর ওয়াকী‘-এর হাদীসে ওযূর পূর্ণ বর্ণনা দেয়া হয়েছে। অতঃপর তিনি কুলি করা এবং নাকে পানি দেয়ার কথা তার হাদীসে বর্ণনা করেছেন। আবূ মু‘আবিয়ার হাদীসে রুমালের কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৬১৪, ই.সে. ৬২৯)
আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৭৩৯, ই. সে. নেই)
শায়বান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১২৩৯ ই.সে. ১২৫১)
আহমাদ ইবনু ইউনুস, আবূ কুরায়ব ও ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ)….. সকলেই আ’মাশ (রহঃ)….. থেকে এ একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি যুহায়র ও আবূ মু’আবিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, হাদীসে “তোমার মধ্যে জাহিলী যুগের কর্মকাণ্ড বিদ্যমান’’ এ কথার পর কিছু বাড়িয়ে যোগ করেছেন। তিনি বলেন, আমি বললাম, তা কি আমার বয়োবৃদ্ধে হবে? তিনি বলেন, হ্যাঁ। আর আবূ মু’আবিয়াহ্র বর্ণনায় আছে, হ্যাঁ, তোমার বয়োবৃদ্ধকালে। আর ‘ঈসাঃ (রহঃ)- এর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, যদি তুমি তাকে সাধ্যের বাইরে কোন কাজ করতে দাও, যা সে করতে অক্ষম, তবে তাকে বিক্রি করে দাও। আর যুহায়র (রহঃ)-এর হাদীসে আছে “অতএব তুমি তাকে তখন সাঃহায্যও করবে।” আবূ মু’আবিয়াহ্ (রাঃ)- এর হাদীসে “তুমি তাকে বিক্রি করে দাও” অথবা “সাহায্য কর” কোন কথার উল্লেখ নেই। “তুমি তাকে এমন কাজের ভার চাপিয়ে দিও না, যা করতে সে অক্ষম” এ কথা দ্বারাই হাদীস শেষ হয়েছে। (ই.ফা. ৪১৬৮, ই.সে. ৪১৬৭)
হিশাম (রহঃ) হতে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
(অনুরূপ) হাদীস বর্ণিত। (ই.ফা. ৪৮৬৯, ই.সে. ৪৮৭০)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত সূত্রে আবূ মু‘আবিয়াহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া রাবী ওয়াকী’ (রহঃ) ও রাবী শু‘বাহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে ...... শব্দের স্থলে ..... শব্দ আছে। (উভয় শব্দের অর্থ চুল ঝরে গেছে)। (ই.ফা. ৫৩৮৩, ই.সে. ৫৪০৩)
আবূ কুরায়ব (রহঃ) হিশাম-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
আবূ কুরায়ব (রহঃ) হিশাম-এর সূত্রে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৩৩০, ই.সে. ৬৩৭৮)
আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ’মাশ (রাঃ) থেকে এ সানাদে জারীর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি ঈসা (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে বলেন, এরপর তারা তাঁর সঙ্গে একান্তে মিলিত হলেন, তখন তিনি তাদের উভয়কে তিরস্কার করলেন এবং তাদেরকে লা’নাত দিয়ে বের করে দিলেন। (ই.ফা. ৬৩৭৮, ই.সে. ৬৪২৯)
হিশাম (রহঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণিত। (ই.ফা. ৬৬২৫, ই.সে. ৬৬৮০)
আ‘মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৪৪, ই.সে. ৬৯০০)
হিশাম (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭২৫৪, ই.সে. ৭৩০৯)