সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->৫৬/১৫৩. অধ্যায়ঃ হাঃ-৩০১৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, কোন একজন নবীকে একটি পিপীলিকা কামড় দেয়। তিনি পিপীলিকার সমগ্র আবাসটি জ্বালিয়ে দেয়ার আদেশ করেন এবং তা জ্বালিয়ে দেয়া হয়। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ করেন, তোমাকে একটি পিপীলিকা কামড় দিয়েছে আর তুমি আল্লাহ্‌র তসবীহকারী একটি জাতিকে জ্বালিয়ে দিয়েছ।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->শিষ্টাচার বাব->পিঁপড়া মারা সম্পর্কে হাঃ-৫২৬৬

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একদা একটি পিঁপড়া এক নাবীকে কামড় দিলে তাঁর নির্দেশে সব পিঁপড়া জ্বালিয়ে দেয়া হয়। আল্লাহ ঐ নাবীর নিকট ওয়াহী পাঠালেনঃ তোমাকে একটি মাত্র পিঁপড়া কামড় দিয়েছে। অথচ তুমি তাসবীহ পাঠরত একটি উম্মাত ধ্বংস করে দিলে!


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->শিকার বাব->যে প্রাণী হত্যা করা নিষেধ হাঃ-৩২২৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ নবীগণের মধ্যকার এক নবীকে পিপীলিকা দংশন করলো। তিনি পিপীলিকাদের অবস্থানস্থল সম্পর্কে নির্দেশ দিলেন এবং তদনুযায়ী তা জ্বালিয়া দেয়ে হলো। এজন্য আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি ওহী নাযিল করেনঃ একটি পিপীলিকা তোমাকে দংশন করেছে, আর তুমি আল্লাহ্‌র গুনগানে রত তাদের গোটা জাতিকে ধ্বংস করলে। [উপরোক্ত হাদীসের মোট ৬টি সানাদের ৪টি বর্ণিত হয়েছে, অপর ২টি সানাদ হলোঃ] ৪/৩২২৫(১). আবূ হুরায়রা (রাঃ) [৩২২৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত বাব->দিন-রাতে কত ওয়াক্ত (সালাত) ফরয হাঃ-৪৫৮

তাল্হা ইব্‌ন উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: নজদ এলাকার অধিবাসী একটি লোক রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসল। তার মাথার চুল ছিল এলোমেলো। তার গুন গুন আওয়াজ শুনছিলাম কিন্তু সে কি বলছিল তা আমরা বুঝতে পারছিলাম না। সে আরো নিকটবর্তী হলো এবং লক্ষ্য করা গেল যে, ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, রাত-দিনে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত তোমার জন্য ফরয। সে জিজ্ঞাসা করল, এগুলো ব্যতীত আমার উপর আরো (অতিক্তি করণীয়) কিছু আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল পড়তে পার। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আর রমযানের এক মাসে সিয়াম। সে জিজ্ঞাসা করলো, এ ছাড়া আমার উপর আরো (সাওম) আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল (সাত্তম) পালন করতে পার। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে যাকাতের কথা বললেন। সে জিজ্ঞাসা করল, তা ছাড়া আমার উপর আরো কোন (দানের হুকুম) আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল (দান) করতে পার। তারপর সে ব্যক্তি এই কথা বলতে বলতে চলে গেল: “আল্লাহ্‌র শপথ! আমি এই (হুকুম) -গুলোর উপর অতিরিক্ত কিছু করব না এবং এগুলো থেকে কমও করব না।” রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: সে সফল হয়ে গেল যদি তার কথায় সত্যবাদী হয়।