সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->ফাজরের সলাতের কিরাআত হাঃ-৯২৩

যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাসীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৯১৮, ই.সে. ৯৩০)


সহিহ মুসলিম অঃ->হিবাত (দান) বাব->দানে সন্তানদের মধ্যে কাউকে প্রাধান্য দেয়া মাকরুহ হাঃ-৪০৭১

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) ইবনু ‘উইয়াইনাহ্ (রহঃ) হতে এবং কুতাইবাহ্ ও ইবনু রুমহ্, (রহঃ) লায়স ইবনু সা‘দ (রহঃ) হতে, হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) ইউনুস (রহঃ) হতে, ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) মা’মার (রহঃ) হতে, তাঁরা সকলেই যুহরী (রহঃ)- এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। তবে ইউনুস ও মা’মার (রহঃ)- এর বর্ণনায় ((আরবী)) এবং লায়স ও ইবনু ‘উয়াইনাহ্ (রহঃ)- এর বর্ণনায় ((আরবী)) এবং মুহাম্মাদ ইবনু নু‘মান ও হুমায়দ ইবনু ‘আবদুর রহমান থেকে লায়স এর বর্ণনায় “বাশীর নু‘মানকে সাথে নিয়ে আসে” বলা হয়েছে। (ই.ফা. ৪০৩৪, ই.সে. ৪০৩৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->ওয়াসিয়্যাত বাব->এক তৃতীয়াংশের ওয়াসিয়্যাত হাঃ-৪১০০

আবূ তাহির ও হারমালাহ্‌, 'আবদুল মালিক ইবনু শু’আয়ব, ইবনু লায়স, ইবনু আবূ 'উমার 'আব্‌দ ইবনু 'উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সকলেই যুহরী (রহঃ) সূত্রে উক্ত সানাদে 'আম্‌র ইবনু হারিস এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪০৬২, ই. সে. ৪০৬১)


সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->আল্লাহ তা’আলা ছাড়া অন্য কারো কসম করার নিষেধাজ্ঞা হাঃ-৪১৪৭

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

'উকায়ল (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে আছে যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে এ থেকে নিষেধ করতে শুনার পর থেকে সে নামে আর শপথ করিনি। আর ঐ নামের কসমের উচ্চারণও করিনি। তবে তিনি “নিজের পক্ষ থেকে এবং অপরের উদ্ধৃতি দিয়েও” কথাটি উল্লেখ্ করেননি। (ই.ফা. ৪১০৯, ই.সে. ৪১০৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->অপরাধের (নির্ধারিত) শাস্তি বাব->চুরির শাস্তি ও তার পরিমাণ হাঃ-৪২৯১

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪২৫২, ই. সে. ৪২৫২)


সহিহ মুসলিম অঃ->অপরাধের (নির্ধারিত) শাস্তি বাব->কোন জন্তুর আঘাতে কেউ আহত বা নিহত হলে, কিংবা খনি বা কূপে পড়ে গিয়ে আহত বা নিহত হলে এতে কোন ‘দিয়্যাত’ বা ক্ষতিপূরণ আবশ্যক হবে না। হাঃ-৪৩৫৮

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

লায়স (রহঃ)-এর সূত্র অনুসারে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩১৭, ই. সে. ৪৩১৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->শিকার ও যবেহকৃত জন্তু এবং যেসব পশুর গোশত খাওয়া হালাল বাব->হিংস্র পশু ও নখরওয়ালা পাখি খাওয়া হারাম হাঃ-৪৮৮৫

আবূ তাহির, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’, ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া, হুলওয়ানী ও আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে ইউনুস ও ‘আমর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তাঁরা সকলেই খাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন, কিন্তু সালিহ্ ও ইউসুফ-এর বর্ণনায় ‘খাওয়ার’ কথা উল্লেখ নেই। তাদের বর্ণনায় রয়েছে, ‘তিনি হিংস্র পশু থেকে নিষেধ করেছেন’। (ই.ফা. ৪৮৩৭, ই.সে. ৪৮৩৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->সদ্ব্যবহার, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা ও শিষ্টাচার বাব->শার‘ঈ ওযর ব্যতিরেকে কোন মুসলিমের সাথে তিন দিনের বেশি সম্পর্কচ্ছেদ করা হারাম হাঃ-৬৪২৭

যুহরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যুহরী (রাঃ) থেকে সকলেই মালিক-এর সানাদে ও তাঁর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তাঁর বক্তব্য (আরবী) (সেও মুখ ফিরিয়ে নিল এবং তিনিও মুখ ফিরিয়ে নিলেন) এর পরিবর্তে মালিক ব্যতীত তাঁদের সকলেই বর্ণনা করেন (আরবী) (তিনিও বিরত থাকলেন, সেও বিরত থাকল) (ই.ফা. ৬৩০১, ই.সে. ৬৩৫১)


সহিহ মুসলিম অঃ->সদ্ব্যবহার, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা ও শিষ্টাচার বাব->যাদের উপর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অভিসম্পাত করেছেন, তিরস্কার করেছেন অথবা বদদু‘আ করেছেন; অথচ তারা এর যোগ্য নয় তাদের জন্য তা হবে পবিত্রতা, পুরস্কার ও রহ্‌মাত স্বরূপ হাঃ-৬৫১২

আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ‘ঈসা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (বানিয়ে দাও) উল্লেখ আছে। আর আবূ হুরায়রা্-এর হাদীসে (আরবী) (পুরস্কার) কথাটি উল্লেখ রয়েছে এবং জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (বানিয়ে দাও রহ্মাত) কথাটির উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৬৩৮১, ই.সে. ৬৪৩১ [ক])


সহিহ মুসলিম অঃ->তাকদীর বাব->প্রত্যেক শিশু ইসলামী স্বভাবের উপর জন্মানোর মর্মার্থ এবং কাফির ও মুসলিমদের মৃত শিশুর বিধান হাঃ-৬৬৫৬

যুহরী (রহঃ) হতে ইউনুস ও ইবনু আবূ যি’ব (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তাদের দু’জনের (শু’আয়ব ও মা’কাল) হাদীসের হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া শু’আয়ব ও মা’কাল-এর বর্ণিত হাদীসে আছে।। তথায় (আরবি) এর স্থানে (আরবি) (মুশরিকদের সন্তান-সন্ততি) উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৬৫২২, ই.সে. ৬৫৭৩)